Business

লক্ষ্মীবারে স্বপ্নের চূড়া ছুঁল ভারতীয় শেয়ার বাজার

বৃহস্পতিবার বাজার খুলতেই স্বপ্নের সোনালি চূড়া ছুঁল ভারতীয় শেয়ার বাজার। পার করল ৫০ হাজারের গণ্ডি। যদিও দিনের শেষে ৫০ হাজারি ঘর ধরে রাখতে পারেনি সেনসেক্স।

মুম্বই : কয়েক মাস আগেই যে বাজার করোনার ধাক্কায় ক্রমশ নিচে নামছিল, এখন সেই বাজার চাঙ্গা হতে হতে বৃহস্পতিবার পৌঁছে গেল স্বপ্নের চূড়ায়। লক্ষ্মীবার বলেই পরিচিত বৃহস্পতিবার। সেই দিনেই ভারতীয় শেয়ার বাজার তার অনন্য উচ্চতা ছুঁয়ে ফেলল।

৫০ হাজার পার করল মুম্বই শেয়ার বাজারের সূচক। যার ইঙ্গিত কিছুদিন ধরে মিলছিল। এদিন সকালে বাজার খোলার পর চড়তে থাকে সূচক। আর এভাবেই তা এক সময় এক হাজার অঙ্ক পার করে পৌঁছে যায় ৫০ হাজারে। ৫০ হাজার পার করা সূচক অবশ্য দিনভর ৫০ হাজারের ওপরে থাকতে পারেনি।

চাঙ্গা বাজারে শেয়ার বেচার হিড়িকে দুপুর বিকেলে তা ফের অনেকটা কমে পৌঁছে যায় আগের দিনের চেয়েও নিচে। বাজার বন্ধ হয় গত দিনের তুলনায় ১৬৭ পয়েন্ট পড়ে।

বৃহস্পতিবার দিনের শেষে সেনসেক্স দাঁড়ায় ৪৯ হাজার ৬২৭ পয়েন্টে। একইভাবে বেড়েও দিনের শেষে গত দিনের তুলনায় কমেছে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক নিফটি। নিফটি এদিন দিনের শেষে ৫৪ পয়েন্ট পড়ে বন্ধ হয় ১৪ হাজার ৫৯০ পয়েন্টে।

এই উত্থানের মূল কারণ হিসাবে শেয়ার বিশেষজ্ঞেরা জো বাইডেনের মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়াকে অন্যতম কারণ হিসাবে সামনে রাখছেন। ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিলেন বাইডেন। আর তার পর দিনই শেয়ার বাজার ছুঁয়ে ফেলল ৫০ হাজারি উচ্চতা।

তবে শুধু বাইডেনের শপথগ্রহণই নয়, ভারতের অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে এবার এমন এক বাজেট দেশ দেখবে যা আগে কখনও হয়নি। অর্থমন্ত্রীর এই আশ্বাস থেকে একটা দারুণ বাজেটের আশায় বুক বাঁধছে বাজার। আর তাতেই বাড়ছে বিনিয়োগ। যা বাজারকে চাঙ্গা করছে। এছাড়াও আশাতীত কর্পোরেট আর্নিং এবং বিদেশি বিনিয়োগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকা বাজারকে চাঙ্গা করতে প্রভূত সাহায্য করেছে।

করোনা এখনও বিদায় নেয়নি। তবে টিকাকরণ ভারতে শুরু হয়ে গেছে। এই অবস্থায় গত বছরের করোনা দাপট ভুলে ভারতীয় শেয়ার বাজারে এই উত্থান প্রবণতা কিন্তু এক চাঙ্গা শেয়ার বাজারের ইঙ্গিত বহন করছে। যার তির আপাতত উর্ধ্বমুখী ধারা ধরে রেখেছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button