সকালের আকাশেও দেখা যাবে এক মহাজাগতিক বিস্ময়, অপেক্ষা আর কয়েকদিনের
সন্ধেবেলা তো বটেই, এমনকি এ মহাজাগতিক বিস্ময় দেখা যেতে পারে সকালের রোদ ঝলমল আকাশেও। এজন্য অপেক্ষা আর মাত্র কয়েকদিনের।
দক্ষিণ আমেরিকার চিলির আতাকামা মরুভূমিতে বসানো একটি টেলিস্কোপের সাহায্যে ৪ অপেশাদার ব্যক্তি আকাশ পর্যবেক্ষণ করছিলেন। এটা গত জানুয়ারি মাসের ঘটনা। তখনই তাঁদের নজরে আসে একটি ধূমকেতু।
এই ধূমকেতুটি সূর্যের ক্রমশ কাছে যাচ্ছে। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করা এই ধূমকেতু আগামী এপ্রিলের শুরুতে সূর্যের খুবই কাছে পৌঁছে যাবে। ধূমকেতুটির কথা জানার পরই বিজ্ঞানীরা তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। মেনে নেন এটা অবশ্যই এক চমকপ্রদ আবিষ্কার।
এবার সেই ধূমকেতু সাধারণ মানুষের নজর কাড়তে চলেছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। যা সন্ধের আকাশে দেখা যাবে। তবে শুধু সন্ধের আকাশ বলেই নয়, সেটি রক্ষা পেলে সকালের আকাশেও তাকে দেখতে পাবেন মানুষজন। এক্ষেত্রে শুধু একটাই বিষয় ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের।
ধূমকেতুটি এপ্রিলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে গিয়ে এতটাই কাছে পৌঁছে যাচ্ছে যে সেটাই চিন্তায় রাখছে বিজ্ঞানীদের। সেটি সূর্য থেকে আনুমানিক ১ লক্ষ ২০ হাজার কিলোমিটার মাত্র দূরে থাকবে। এটাই তার সূর্যের সবচেয়ে কাছে পৌঁছনো হবে।
এতটা কাছে পৌঁছে গেলে সেটি আদৌ রক্ষা পাবে কিনা তা নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সূর্যের তেজে সেটি যদি ধ্বংস না হয়ে যায় তাহলে পৃথিবীর মানুষের সেই ধূমকেতুকে সকাল এবং রাতের আকাশে দেখতে পাওয়ার সুযোগ হবে।
আর তার আগেই সূর্যের খুব কাছে পৌঁছে সেটি যদি ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে আর দেখার জন্য কিছু থাকবেনা। ঠিক কি হয় সেজন্য আর কিছুদিনের অপেক্ষা। সি/২০২৬ এ১ (এমএপিএস) নামে এই ধূমকেতুটি দেখা গেলে তা এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য হবে বিশ্ববাসীর জন্য।













