World

পৃথিবীর সবচেয়ে ভূতুড়ে জঙ্গল, এখানে ঢুকে বেরিয়ে এলে কিছুই মনে থাকেনা

পৃথিবীতে যত ঘন জঙ্গল রয়েছে সেখানে ঢুকলে বেশ রহস্যময় মনে হয়। কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে ভূতুড়ে জঙ্গলের কথা যদি বলা হয় তাহলে এটা।

২৫০ হেক্টর জায়গা নিয়ে এই জঙ্গল। জঙ্গলটি বেশ ঘন। এই জঙ্গল অবশ্য অন্য সব জঙ্গলের চেয়ে আলাদা। কারণ এটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে ভূতুড়ে জঙ্গল বলা হয়। বলা হয়, এ জঙ্গলে ভৌতিক সব ছায়াদের ঘুরতে দেখা যায়।

অদ্ভুত সব আওয়াজ, কথোপকথন কানে আসে। কারা কথা বলে এখানে? তা কারও জানা নেই। কারণ এ জঙ্গলে কেউ থাকে না। অনেকে দাবি করেন এ জঙ্গলে এলিয়েনরা ঘুরে বেড়ায়। তাদের যান নামে এ জঙ্গলের মাঝে।

অনেকে বলেন অদ্ভুত সব আলো দেখতে পাওয়া যায় জঙ্গলের মধ্যে। এ জঙ্গলের মধ্যে একটা জায়গা আছে যেখানে কখনও কোনও গাছ গজায় না। পুরো জঙ্গলটা ঘন বিশাল বিশাল গাছে ঢাকা হলেও ঠিক এই গোলাকার অংশেই কেন গাছ গজায় না? সে উত্তর অজানা।

বলা হয় ওখানেই নাকি এলিয়েনদের যান নামে। তাই সেখানে গাছ জন্মায় না। এমনও বলা হয় যে ওই জঙ্গলে একা কেউ ঘুরে এলে তাঁর জঙ্গলে কি ঘটেছে, তিনি কি দেখেছেন কিছুই মনে থাকেনা।

রোমানিয়ার ট্রানসিলভেনিয়া নামে জায়গায় অবস্থিত হোইয়া বাসিউ নামে এই জঙ্গল নিয়ে ভূতুড়ে সব কাহিনির শেষ নেই। এক সেনাকর্মী একবার এই জঙ্গলে ঢুকে নানা ফটো তোলেন।

সেই ফটোতে ভূতুড়ে কিছু দেখা যাওয়ার পর থেকেই এই জঙ্গল ভূতুড়ে জঙ্গল নামে খ্যাত হয়। তাকে ঘিরে নানা ভূতুড়ে সব কাহিনি মুখে মুখে ঘুরতে থাকে।

তবে এই ভূতুড়ে ছাপ রোমানিয়ার এই জঙ্গলকে সারা পৃথিবীতে জনপ্রিয়তা দিয়েছে। অনেকেই এই জঙ্গল দেখার লোভ সামলাতে না পেরে ছুটে আসেন এখানে।


পড়ুন আকর্ষণীয় খবর, ডাউনলোড নীলকণ্ঠ.in অ্যাপ
Show Full Article

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি নিখুঁত ভাবে যাচাই করার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *