ব্যাঙ্কে কোনও অপকর্মের চেষ্টা হচ্ছে, অ্যালার্ম বাজাল হরিণ
ব্যাঙ্কে কেউ জোর করে বা লুকিয়ে ঢুকে কোনও অপকর্মের চেষ্টা করলে তা জানানোর জন্য বিশেষ অ্যালার্ম বাজানো যায়। সে অ্যালার্ম পুলিশের কাছে পৌঁছে যায়।
অ্যালার্মের আওয়াজটা পাওয়ার পরই দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছিল পুলিশ। সময় নষ্ট করেনি। কারণ অ্যালার্ম আসে ব্যাঙ্ক থেকে। তার মানে কি কেউ ব্যাঙ্কে কোনও চুরি, ডাকাতির চেষ্টা করছে? হতেই পারে! অ্যালার্ম যখন বেজেছে তখন তো এমনই কিছু হতে পারে।
পুলিশ যতটা দ্রুত সম্ভব ব্যাঙ্কে পৌঁছে যায়। গিয়ে দেখে ব্যাঙ্কের একটি কাচের ঢাকা অংশ ভাঙা। সেখান দিয়েই কি তাহলে কেউ বা কারা ঢুকেছে? পুলিশ আরও সতর্ক হয়ে ব্যাঙ্কে প্রবেশ করে। কিন্তু তারপর যা দেখে তা দেখে তাদেরও চক্ষু চড়কগাছ।
ব্যাঙ্ক সেদিন ছুটি ছিল। ফাঁকা ব্যাঙ্কের মধ্যে চষে বেড়াচ্ছে একটি হরিণ। একেবারে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে ব্যাঙ্কের অন্দরসজ্জা। সেই কোনও সময় না বুঝে চেপে ফেলেছে ওই অ্যালার্ম। যা সোজা পুলিশকে সতর্ক করেছে। তাই ব্যাঙ্কে অন্য কেউ নয়, যে অ্যালার্ম অজান্তেই বাজিয়েছে সেই ঢুকেছে। এটা পুলিশের কাছে পরিস্কার হয়ে যায়।
পুলিশের অনুমান, বাইরে থেকে কাচের ওপর নিজেরই প্রতিফলন দেখে উল্টোদিকে অন্য হরিণ রয়েছে ভেবে হরিণটি আক্রমণ করে। তার সজোর ধাক্কায় কাচ ভেঙে যায়। হরিণটি ব্যাঙ্কে ঢুকে পড়ে। তারপর সে বাইরে বার হওয়ার পথ খুঁজে পাচ্ছিল না। তাই ব্যাঙ্ক তছনছ করে বেড়ায়।
পুলিশ হরিণটিকে একটি দড়ির সাহায্যে পাকড়াও করে। তারপর সেটিকে বাইরে নিয়ে গিয়ে অরণ্যে ছেড়ে দেয়। যাতে সে প্রকৃতির মাঝে তার চেনা পরিসরে স্বচ্ছন্দে জীবন কাটাতে পারে। ঘটনাটি ঘটেছে নিউ ইয়র্কের সাফক কাউন্টির ওয়েবস্টার ব্যাঙ্কে।













