আতা ফল তো সকলেই দেখেছেন। তার দারুণ স্বাদে রসনা তৃপ্তও করেছেন। আতা গাছ দেশের নানা প্রান্তেই রয়েছে। তবে ভূতবন্ধনীর আতা অন্যদের চেয়ে প্রথম দর্শনেই আলাদা। কারণ এই আতা সাধারণভাবে দেখতে পাওয়া আতার মত আকারের হয়না। তার চেয়ে অনেকটাই বড় হয়।
ভূতবন্ধনীর আতা যেমন বড় আকারের হয়, তেমনই তার মিষ্টি স্বাদ, ক্রিমের মত মোলায়েম শাঁস এবং পুষ্টিগুণের কারণে তার কদর রয়েছে। এই আতা এখানকার মাটি, এখানকার আবহাওয়ার ছোঁয়ায় এমন বিশাল আকারের হয় যে অনেক সময় এখানকার একটি আতার ওজন ১ কিলোগ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
মধ্যপ্রদেশের সিওনি জেলার ছাপারা ব্লকের ভূতবন্ধনী এলাকায় এই আতার ফলন হয়। যা এবার পেয়ে গেল জিআই বা জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন ট্যাগ।
এখানকার এই আতার কদর স্থানীয়ভাবে যথেষ্ট। তবে জিআই ট্যাগ পাওয়ার পর এই আতার কদর এবার দেশের সীমা ছাড়িয়ে বিদেশে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশাবাদী এই আতা চাষের সঙ্গে যুক্ত কৃষকরা।
এখানে এই আতা চাষ কিন্তু প্রাচীন পদ্ধতি মেনে হয়। সেখানকার জঙ্গলকেই এই চাষের মাটি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। তবে এই আতা যেমন মন ভোলানো স্বাদের, তেমনই তার নজরকাড়া আকার।
যার মুকুটে এবার যুক্ত হল জিআই ট্যাগ। যা এই আতাকে আরও বেশি করে অর্থকরী করে তুলবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা