বিয়ের আয়োজনে ত্রুটি ছিলনা। একটি স্টেজের মত তৈরি করা হয়েছিল। তার সামনে অনেকে বসে। স্টেজের ওপর বরকনে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। হাতে মালা। এবার একে অপরকে সেই মালা পরিয়ে দেওয়ার পর্ব। তার আগে বিয়ের বেশ কয়েকটি রীতি পালন করা হয়ে গিয়েছিল।
পুরোহিতের তরফে কনেকে বলা হয় বরের গলায় মালা পরিয়ে দিতে। মালাবদলের এই অনুষ্ঠান থেকে কেউ তখন চোখ সরাচ্ছিলেন না। এই সময় সকলকে অবাক করে কনে বরের গলায় মালা না দিয়ে মালা হাতে দৌড় দেন। তারপর ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা এক অন্য যুবকের গলায় মালা পরিয়ে দেন।
কনেকে ছুটতে দেখে কনের বাড়ির লোকজনও তাঁর পিছনে ছোটেন। কনে যখন অন্য যুবকের গলায় মালাটা পরিয়ে দেন তখন রেগে যান কনের বাড়ির লোকজন।
ওই যুবককে কন্যাপক্ষের হাতে চরম হেনস্থার শিকার হতে হয়। তবে প্রাথমিক উত্তপ্ত পরিস্থিতি কাটিয়ে ফের চারধার শান্ত হয়। কনের পরিবারের তরফে কনেকে বুঝিয়ে ফের মালাবদলের জন্য ফিরিয়ে আনা হয়।
কিন্তু এই ঘটনার পর পাত্র আর ওই তরুণীকে বিয়ে করতে রাজি হননি। বর বেঁকে বসার পর বরযাত্রীরাও জানিয়ে দেন তাঁরা এ বিয়ে আর চাইছেন না। বর ও বরযাত্রীরা স্থানীয় থানায় পুরো বিষয়টি জানিয়েও দেন। পরে তাঁরা বাড়ি ফিরে যান। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের পারাসিয়ায়।