আর ২০ কিলোমিটার যেতে হবেনা গ্রামবাসীদের, এ গ্রামের ঘরে ঘরে পৌঁছল পানীয় জল
পানীয় জলের জন্য এতদিন ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পথ যেতে হত গ্রামবাসীদের। তার থেকে মুক্তি পেলেন তাঁরা। অবশেষে এতদিনে ঘরে ঘরে পৌঁছল পানীয় জল।
১৭৩৪ সালে জন্ম নেয় এই গ্রাম। স্বাধীনতার পর ভারত পাক সীমান্তে পড়ে যাওয়া এ গ্রামের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল পানীয় জল। গ্রামের মাটির তলায় যে জল পাওয়া যায় তা নোনতা। এতটাই নোনতা যে তা গ্রামবাসী থেকে গ্রামের গৃহপালিত পশু, কারও পক্ষেই পান করা অসাধ্য ছিল।
সরকার টিউবওয়েল তৈরি করে দিলেও তাতে কাজ হয়নি। পানীয় জলের সংকট যেমন ছিল সেটাই থেকে যায়। গ্রামবাসীদের পানীয় জলের জন্য ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে অন্য গ্রামে যেতে হত নিয়মিত। শুধু পানীয় জলের জন্যই এই পরিশ্রম।
স্বাধীনতার পর বহু বছর কেটে গেলেও রাজস্থানের বারমেরের সুন্দ্রা গ্রামের পানীয় জলের সমস্যা মেটেনি। অথচ গ্রাম পঞ্চায়েত হিসাবে এটি বৃহত্তম গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির একটি।
১ হাজার ৩৪৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে থাকা এই গ্রাম পঞ্চায়েতের সমস্যাই হল চারধারে বালি আর বালি। তার ওপর ভারত পাক সীমান্তে এই গ্রামের অবস্থান।
এতদিন পর অবশেষে গ্রামবাসীদের মুখে হাসি ফুটল। এই গ্রামে অবশেষে পানীয় জল পৌঁছল। নর্মদা ক্যানাল বেসড ড্রিঙ্কিং ওয়াটার প্রোজেক্ট নামে প্রকল্পে এই গ্রামে পানীয় জল পৌঁছল প্রত্যেকের ঘরে।
নর্মদা নদীর সর্দার সরোবর জলাধার থেকে পাইপ লাইনে এই পানীয় জল এ গ্রামে পৌঁছচ্ছে। সুন্দ্রা গ্রামে এই জল পৌঁছতে ৭২৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়েছে পাইপলাইনকে। যা পাতাও নেহাত সহজ কাজ ছিলনা।
কোথাও বালি, কোথাও কাজ করার জন্য বিদ্যুৎ নেই, কোথাও আবার ভারত পাক সীমান্ত হওয়ায় বিভিন্ন বিধিনিষেধ। সব অতিক্রম করে শেষপর্যন্ত সুন্দ্রা গ্রামের ঘরে ঘরে ট্যাপ ওয়াটারের সাহায্যে পানীয় জল পৌঁছে গেল। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













