ভারতের বিখ্যাত দ্বীপে পাওয়া গেল ১৫০০ বছরের টি দর্শন পুরনো জলাধার
এই দ্বীপে সারাদিনই পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে। জল পার করে এখানে পৌঁছন পর্যটকরা। সেই ব্যস্ত দ্বীপে এবার মাটি খুঁড়ে পাওয়া গেল এক প্রাচীন জলাধার।
এই দ্বীপে অনেকেই গেছেন। সেখানে সিঁড়ি বেয়ে উঠে একের পর এক গুহা দর্শন, সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় ২ ধারে প্রচুর দোকান, টয় ট্রেনে চড়ে সিঁড়ির নিচ পর্যন্ত এবং সেখান থেকে ফেরি ঘাট পর্যন্ত পৌঁছনো, এসব সারাদিন ধরে চলে। বহু পর্যটক ভিড় জমান এই প্রাচীন এবং ঐতিহাসিক দ্বীপে।
মুম্বই বেড়াতে গিয়ে এলিফ্যান্টা প্রায় সকলেই ঘুরে আসেন। সেই দ্বীপে যে এমন কিছু লুকিয়ে ছিল তা এতদিন জানা ছিলনা এএসআই-এরও। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া-র তরফে এবার এই দ্বীপে খনন চালিয়ে পাওয়া গেল এক চমকে দেওয়ার মত নিদর্শন। এক বিশাল জলাধার।
এ দ্বীপটি পাথুরে। তাই বর্ষায় এই দ্বীপে প্রচুর বৃষ্টি হলেও সেই জল এখানে মাটি শুষে নেয় না। বরং সে জল গড়িয়ে চলে যায় সমুদ্রে। তাই ১ হাজার ৫০০ বছর আগে এখানে বসবাসকারীরা পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে একটি জলাধার তৈরি করেন।
সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে গিয়ে জলাধার। যা বৃষ্টির জলে পূর্ণ হত। সিঁড়িগুলি পাথর দিয়ে তৈরি করা। যে পাথর আবার এলিফ্যান্টার পাথর নয়। তা সে সময় জলপথে সম্ভবত মুম্বই থেকে নিয়ে আসা হত। তারপর তা দিয়ে সাজানো হয় জলাধারের সিঁড়ি।
ইংরাজি টি অক্ষরের মত জলাধারটি কিন্তু নেহাত ছোট নয়। মাটির তলায় এতদিন লুকিয়ে থাকা এই জলাধারটি দৈর্ঘ্যে ১৪.৭ মিটার, প্রস্থে ৬.৭ মিটার। এখনও পর্যন্ত ২০টি সিঁড়ি উদ্ধার করতে পেরেছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। ৫ মিটার পর্যন্ত গভীরে পৌঁছতে পেরেছেন তাঁরা।
পুরো জলাধারটি উদ্ধারের কাজ এখনও চলছে। এলিফ্যান্টা দ্বীপের পূর্ব প্রান্তে মোরাবন্দর এলাকায় এই জলাধারের খোঁজ পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা।













