এপ্রিলে গরম নেই, দহন জ্বালা না থাকলেও অন্য সমস্যা রাতের ঘুম কেড়েছে মরুরাজ্যের
এমনিতেই উত্তর ও পশ্চিম ভারত ভিজে মার্চ মাস কাটিয়েছে। এবার এপ্রিলের শুরুতেও সেখানে দহন জ্বালা উধাও। তবে অন্য সমস্যা রাতের ঘুম কেড়েছে মরুরাজ্যে।
জম্মু কাশ্মীরের পাহাড়ে তুষারপাত চলছে। হিমাচলেও তাই। দিল্লিতে মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি নামছে। পঞ্জাব, হরিয়ানাও ভিজছে। এমন এপ্রিলের সঙ্গে পরিচিত নয় উত্তর ভারত। বাদ যাচ্ছেনা রাজস্থানও।
এপ্রিলে যেখানে রাজস্থানের নানা প্রান্তে তরতর করে চড়তে থাকে পারদ, সেখানে এবার নির্মল পরিবেশে দিন কাটছে মরুরাজ্যের মানুষের। বৃষ্টি হচ্ছে। শিলাবৃষ্টিও হচ্ছে। আর তা এত ঘনঘন হচ্ছে যে পারদ চড়ার সুযোগই পাচ্ছেনা।
এটা শুনে মনে হতেই পারে যে এ তো রাজস্থানের মানুষের জন্য ভালই। তাঁদের তীব্র গরমের কষ্টটা সহ্য করতে হচ্ছেনা। কিন্তু বাস্তবে রাজস্থানের অনেক মানুষেরই ঘুম কেড়েছে মরুরাজ্যের এপ্রিলের অচেনা আবহাওয়া। যা সেখানকার কৃষি উৎপাদনের জন্য অশনিসংকেত হয়ে উঠেছে।
ইতিমধ্যেই ফসল ঢেকে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা। অসময়ে বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি ফসলের বড় ক্ষতির কারণ হচ্ছে। যা থেকে বাঁচার উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছেন রাজস্থানের কৃষকরা।
পশ্চিমি ঝঞ্ঝা মার্চ মাসের মধ্যেই দুর্বল হয়ে আসে। তা আর ভারতে কোনও প্রভাব ফেলে না। কিন্তু এবার মার্চ মাসে ৮টি পশ্চিমি ঝঞ্ঝা ধেয়ে এসেছে ভারতের উত্তর ও পশ্চিম প্রান্তে। তার প্রভাবে মার্চে যথেষ্ট বৃষ্টি হয়েছে কাশ্মীর থেকে রাজস্থান, হিমাচল থেকে দিল্লিতে।
এখনও পশ্চিমি ঝঞ্ঝা ধেয়ে আসছে। যার হাত ধরে ভিজছে জম্মু কাশ্মীর, হরিয়ানা, পঞ্জাব, দিল্লি, রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশ। আবহাওয়ার এই খামখেয়ালি আচরণ গরমের তীব্রতাকে রুখে দিলেও ফসলের জন্য খুবই খারাপ বার্তা বয়ে আনছে। ফসলের ক্ষতি হচ্ছে পঞ্জাব, হরিয়ানাতেও। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













