তাঁর সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর বনিবনা হচ্ছেনা। স্ত্রী বিলাসবহুল জীবন যাপন করতে চান। পার্টি করা, মদ্যপান করা, এসব তাঁর অভ্যাস। ধনী বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে পছন্দ করেন তিনি। রোজগার সেই পরিমাণ না থাকায় স্বামীকে রোজগার নিয়ে প্রায় খোঁটা শুনতে হয়।
এমনকি স্ত্রীর মা, বাবাও তাঁকে নানা ভাবে অত্যাচার করেন। তাঁকে ভয় দেখাতে স্ত্রীর বাবা বাড়িতে লোক পাঠান। মা এসে বারবার বলতে থাকেন ওই যুবক যেন তাঁর মেয়েকে ছেড়ে দেন। তিনি মেয়ের আরও ধনী ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে দিতে চান।
এমন নানা অভিযোগ একের পর এক সামনে আনছিলেন এক যুবক। পুলিশের কাছে সব খুলে বলছিলেন যে কি কারণে তিনি স্ত্রী ও স্ত্রীর বাপের বাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। এই অভিযোগগুলি যে একেবারেই অচেনা এমনটা পুলিশেরও মনে হয়নি। কিন্তু চমক তখনও বাকি ছিল।
ওই বছর ৩৭-এর যুবক পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে তাঁর স্ত্রী তাঁকে নানা আপত্তিকর ভিডিও পাঠান। যেখানে মিলনের নানাধরনের ভঙ্গিমা থাকে। যেমনটা সেই ছবিতে বা ভিডিওতে দেখা যায় ঠিক সেইরকম তাঁর সঙ্গে করতে ওই যুবককে বাধ্য করেন তাঁর স্ত্রী।
এমনটা করতে চাপ দেন। এমনকি তাঁর স্ত্রী নিজের এক বন্ধুর সঙ্গে যুবককে ঘনিষ্ঠ হতেও বাধ্য করেছেন। এমন সব বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ দায়ের করেন যুবক। তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে করা এইসব অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুতে। এদিকে স্বামী এই অভিযোগ করার পর তামিলনাড়ুতে একটি থানায় গিয়ে পাল্টা ওই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ৩১ বছরের ওই যুবতী।