হাফ সেঞ্চুরি করল ভারত, তবে ক্রিকেটে নয়
হাফ সেঞ্চুরি কথাটা বললেই মনে হয় কোনও ব্যাটার বুঝি ৫০ রান পার করলেন। ভারত হাফ সেঞ্চুরি করল বটে। তবে ক্রিকেটে নয়।
বেশ দ্রুত সংখ্যাটা এগিয়ে যাচ্ছিল ৫০-এর দিকে। অবশেষে ৫০ হয়েও গেল। হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলল ভারত। যারা ২০২২ সালেও শূন্য ছিল তাদের ২০২৬-এর শুরুতে হাফ সেঞ্চুরি করতে পারাটা অবশ্যই বড় কৃতিত্ব।
ভারত তাদের নিশ্চিন্ত বাসস্থান হতে পেরেছে। ভারতের আবহাওয়া যে তাদের মানিয়ে নিতে অসুবিধা হচ্ছেনা, সেটাও পরিস্কার হয়ে গেল। কথা হচ্ছে চিতাদের নিয়ে।
ভারতে লেপার্ডের অভাব নেই। কিন্তু চিতা ছিলনা। ২০২২ সালে আফ্রিকা থেকে চিতা এনে ভারতের জঙ্গলে ছাড়া হয়েছিল। ছাড়া হয়েছিল মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে।
ভারতের আবহাওয়ার সঙ্গে আফ্রিকার নানা দেশ থেকে আনা চিতারা খাপ খাইয়ে নিতে পারবে কিনা তা নিয়ে চিন্তাও ছিল। কিন্তু সে চিন্তা কিছুদিনের মধ্যেই দূর হয়ে যায়।
কুনোর জঙ্গলকে নিজের করে নিতে অসুবিধা হয়নি চিতাদের। বরং সেখানে চিতা শাবকদের জন্ম হতে থাকে। সঙ্গে আরও চিতা আনা হয় আফ্রিকার নানা দেশ থেকে।
নামিবিয়া থেকে আনা স্ত্রী চিতা জ্বালা এবার সেই কুনোতে প্রসব করল ৫টি চিতা শাবক। আর সেটার পরই ভারতে চিতার সংখ্যা ৫৩টিতে গিয়ে ঠেকল। পার হল ৫০-এর গণ্ডি।
কেন্দ্রীয় বন মন্ত্রী ভূপিন্দর যাদব ৫টি চিতার জন্মের কথা দেশবাসীকে জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে দেশে চিতার সংখ্যা ৫০ পার করায় এটা ভারতের জন্য গর্বের মুহুর্তে বলে ব্যাখ্যা করেছেন।
চিতা ভারতে ছিলনা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে ২০২২ সালে প্রথম চিতা ভারতে আনার উদ্যোগ শুরু হয়। বেছে নেওয়া হয় কুনো জাতীয় উদ্যানকে। যেখানে প্রথম ভারতের মাটিতে চিতার বিচরণ শুরু হয়।
তারপর থেকে সংখ্যা বেড়েই চলেছে চিতার। আগামী দিনে ভারতের অন্যান্য প্রান্তেও চিতা ছড়িয়ে দেওয়া যায় কিনা তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা চলছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













