একাদশীতেই শুরু হয়ে গেল দোল, রংয়ে রঙিন হল দেবস্থান থেকে মানুষ
ক্যালেন্ডার বলছে দোল দরজায় কড়া নাড়ছে। কিন্তু একাদশীতেই শুরু হয়ে গেল রংয়ের উৎসব। রঙিন হল দেবস্থান। লাল, গোলাপি, সবুজে মাখামাখি মানুষ।
রংয়ের উৎসব দোল পালিত হয় পূর্ণিমা তিথিতে। তাই একে দোলপূর্ণিমা বলা হয়। কিন্তু একাদশীতেই দোলের আনন্দে কাঠি পড়ে গেল। তাও আবার পরম্পরা মেনেই। রঙ্গভরী একাদশীতে রংয়ে রঙিন হল অযোধ্যা, সম্ভল এবং বৃন্দাবন।
এখানে একাদশী থেকেই শুরু হয়ে গেল চুটিয়ে রং খেলা। সর্বত্রই রাস্তাঘাট থেকে বাতাস রঙিন হয়ে উঠেছে। মানুষ রংয়ের উৎসবে মাতোয়ারা। এই ৩ শহরই আধ্যাত্মিক তাৎপর্যের জন্য বিখ্যাত।
অযোধ্যায় মন্দির থেকে রং খেলতে সাধুসন্তরা একাদশীতেই আবির গুলাল হাতে বেরিয়ে পড়েন রাস্তায়। নিজেরা আবির মেখে পারম্পরিক হোলির সঙ্গীতের তালে তালে এগিয়ে চলেন রাজপথ ধরে। ছড়িয়ে দেন আবির।
এখানে মন্দির ও আখড়ায় হোলি শুরু হয় রঙ্গভরী একাদশী থেকে। অযোধ্যার সিদ্ধপীঠ হনুমানগড়ি মন্দিরেও উপচে পড়া ভিড়। সেখানেও দোল শুরু হয়ে গেল।
একই দৃশ্য সম্ভল শহরেও। এখানে তো কচিকাঁচা থেকে নানা বয়সের মানুষ এদিন রাস্তায় নেমেই রংয়ের খেলায় মেতে ওঠেন। শহর রঙিন হয়ে ওঠে। দেখে মনে হবে এদিনই যেন দোল।
আসলে এ শহরে একাদশী থেকেই শুরু হয়ে যায় রং খেলা। শহর জুড়ে নানা প্রান্তে রং, পিচকারি, মুখোশের পসরা। চুটিয়ে চলছে কেনাকাটা। সেই সঙ্গে ভোর থেকেই চলছে রং খেলা। এখানে রং খেলার আনন্দকে আরও সুন্দর করে তোলে টানা বাজতে থাকা ড্রামের তাল ও হোলি সঙ্গীত।
বৃন্দাবনে উপচে পড়ছে ভক্তের ভিড়। বৃন্দাবনের বাঁকেবিহারী মন্দিরে ভিড় এতটাই যে দর্শনের জন্য দীর্ঘসময় ধরে অপেক্ষায় থাকেন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জড়ো হওয়া ভক্তরা।
প্রাচীন বিশ্বাস, এই রঙ্গভরী একাদশীর দিন স্বয়ং ভগবান বাঁকেবিহারী তাঁর ভক্তদের সঙ্গে হোলি খেলেন। তাই এদিন এখানে রং খেলার জন্য মানুষের ভিড় নজর কাড়ে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













