মন্দিরের প্রণামী বাক্সে ১০০ টাকার নোট সহ একটি চিরকুট, পড়েই চক্ষু চড়কগাছ মন্দির কর্তৃপক্ষের
মন্দিরের প্রণামী বাক্সে অনেকেই প্রণামী দিয়ে যান। সেখানেই একটি ১০০ টাকার নোটের সঙ্গে একটি চিরকুট পেল মন্দির কর্তৃপক্ষ। চিরকুট পড়ে হতবাক তারা।
মন্দিরে দর্শন করতে আসা ভক্তদের জন্য একটি প্রণামী বাক্স রাখা থাকে। সেখানে কেউ চাইলে কিছু অর্থ প্রণামী হিসাবে দিতে পারেন। এমনই একটি মন্দিরে চলছিল একটি মেলা। সেই মেলার শেষে প্রণামী বাক্স খুলে তাতে যে প্রণামীর টাকা রয়েছে তা গুনে দেখা চলছিল।
যাঁরা সেই টাকা গুনছিলেন তাঁরা একটি ১০০ টাকার নোটও পান। যার সঙ্গে ছিল একটি চিরকুট। হাতে লেখা চিরকুট। যা পড়ার পর তাঁরা স্বভাবতই হতবাক। এমনকি মন্দির কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে রীতিমত হতভম্ব হয়ে গেছে।
ওই চিরকুট যিনি প্রণামী বাক্সে ফেলে গিয়েছিলেন তিনি লিখেছেন, ঈশ্বর যেন তাঁর কষ্টের উপশম করেন। তাঁর শাশুড়ি যেন ইহলোক ত্যাগ করেন। মানুষ সাধারণত মন্দিরে গিয়ে নিজের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য, অর্থ, যশ, খ্যাতি চান। পরিজনের সুস্থ শরীর কামনা করেন। পরিবারের ভাল চান। কিন্তু এমন এক উল্টো চাহিদা এবং তা এমন লিখিত আকারে অবশ্যই বিরলতম।
শাশুড়ির চিরনিদ্রা চেয়ে এমন চিরকুট স্বভাবতই কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে এসে ঠেকেছে। কে সেটা ফেলে গেছেন তা জানা যায়নি। এমনকি এটাও পরিস্কার নয় যে এটা কোনও মহিলার কাজ নাকি পুরুষের।
তবে এই চিরকুট নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। কর্ণাটকের বেলাগাভি জেলার হুলিকুন্তেশ্বরা মন্দিরের এই ঘটনা সংবাদমাধ্যমের পাতায় জায়গা করে নিতেও সময় নেয়নি। মন্দিরে মেলা চলছিল। সেই ভিড়ে কে প্রণামী বাক্সে এমন এক চিরকুট ফেলে গেলেন তা অজানাই রয়ে গেছে।













