ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন মাঠেই চিরনিদ্রায় আম্পায়ার, ব্যাট, বল নয় কারণ একদল পতঙ্গ
স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ম্যাচ চলছিল। সেই ম্যাচে ২ ধারে যেমন ২ আম্পায়ার থাকেন তেমনটাই ছিলেন। দর্শকও কম ছিলেননা। সেখানেই ঘটল এক আশ্চর্য ঘটনা।
ক্রিকেট মাঠে বল লেগে বা ব্যাটের আঘাতে মর্মান্তিক পরিণতি দেখা গিয়েছে। সে উদাহরণ রয়েছে। কিন্তু এই ম্যাচে তেমন কিছু হয়নি। না কোনও বল এসে লেগেছিল আম্পায়ারের গায়ে। না ব্যাটসম্যানের চালানো ব্যাট কোনওভাবে আম্পায়ারকে আঘাত করেছিল।
না তিনি অসুস্থ ছিলেন। নাই তাঁর ওপর খেলোয়াড়রা কোনও হামলা চালিয়েছিল। শান্তিতে ম্যাচ চলছিল অনূর্ধ্ব ১৩ বিভাগের। সেখানে স্টেডিয়ামেও দর্শক ছিলেন।
ম্যাচ চলাকালীন আচমকা মাঠে হাজির হয় একদল মৌমাছি। মৌমাছিরা ঝাঁপিয়ে পড়ে খেলোয়াড় থেকে আম্পায়ার সকলের ওপর। ছাড়া পাননি দর্শকরাও।
মৌমাছিরা হুল ফোটাতে থাকে। যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকেন অনেকে। শুরু হয়ে যায় ছুটোছুটি। মৌমাছিদের হাত থেকে রক্ষা পেতে সকলেই নিরাপদ কোথাও যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন।
অনেককেই মৌমাছিরা এত হুল ফোটায় যে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। সেই তালিকায় ছিলেন ৬৫ বছর বয়স্ক আম্পায়ার মানিক গুপ্তা। কানপুরে এই ম্যাচটি চলছিল। কানপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে মৌমাছির হুলে বিদ্ধদের নিয়ে যাওয়া হয়।
মানিক গুপ্তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে পরীক্ষা করে চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন তাঁর দেহে আর প্রাণ নেই। অন্যদের এই পরিণতি না হলেও অনেকেই গুরুতর অসুস্থ।
কীভাবে, কেন মৌমাছিরা এভাবে মাঠে হানা দিল তা পরিস্কার নয়। তবে ম্যাচ ভণ্ডুল হয়ে যায়। অতি পরিচিত মানিক গুপ্তার মৌমাছির হানায় চিরনিদ্রায় চলে যাওয়া অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।













