৩ মাসের খরা কাটিয়ে প্রথম তুষারপাতে মাতোয়ারা শৈলশহর
মাঘ মাসের বেশ কিছুটা পার করে গেছে। তবু এই বিখ্যাত শৈলশহরে তুষারপাত হয়নি। অবশেষে বসন্তপঞ্চমীতে পৌঁছে এই মরসুমের প্রথম তুষারপাতে মাতোয়ারা শহরের বাসিন্দা থেকে পর্যটকেরা।
সাধারণত এ শহরে অনেক আগে থেকেই তুষারপাত শুরু হয়ে যায়। একটা সময় এই পাহাড়ি শহর ছিল ব্রিটিশদের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী। পরবর্তীতে এ শহরই হয়ে ওঠে বাঙালির পছন্দের পাহাড়ি ভ্রমণের জায়গা।
বেড়ানোর কথা বললে যেন প্রথমেই মুখে এসে যেত এই শহরের নাম। এবার সে শহর ভরা শীতেও ৩ মাস ধরে শুকনো কাটানোর পর অবশেষে বরফের দেখা পেল। এই মরসুমের প্রথম তুষারপাতে সাদা হল শৈলশহর সিমলা।
সিমলায় বরফ পড়ছে খবর পেয়েই অনেকে সিমলার উদ্দেশে বেরিয়ে পড়েন। বরফাবৃত সিমলায় মন ভরে আনন্দ উপভোগ করতে দূর দূর থেকে মানুষ প্রতি শীতে হাজির হন। হিমাচল প্রদেশে তুষারপাত যথেষ্ট হলেও সিমলায় তুষারপাত প্রতিবছরই সকলের জন্য একটা খবর।
সিমলায় বরফ পড়তে শুরু করলে দিল্লি, হরিয়ানা, পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ থেকে অনেকে সিমলায় হাজির হয়ে কয়েকদিন কাটিয়ে যান। এবারও সেটা হয়েছে। এবার সোমবারও ছুটি থাকায় ২-৩ দিনের জন্য অনেকেই সিমলা পৌঁছেছেন। ফলে সিমলার হোটেল মালিকরা বেজায় খুশি।
সিমলা বলেই নয়, মরসুমের প্রথম তুষারপাতে রাজপথ থেকে বাড়ি, গাছপালা ঢেকেছে মানালিতেও। বরফ পড়েছে কুফরি, নারকান্দাতেও। এছাড়া হিমাচল প্রদেশের লাহুল স্পিতি, চাম্বা, কুলু, মান্ডি সহ নানা জায়গায় তুষারপাত হয়েছে।
পাহাড়ে যখন তুষারপাত হচ্ছে তখন অপেক্ষাকৃত নিচু জায়গা ধরমশালা, পরমপুর, সোলান, নাহান, উনা, হামিরপুরের মত জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













