National

ব্যাঙ্ক চালাচ্ছে স্কুলের পড়ুয়ারা, খুলছে অ্যাকাউন্ট, দিচ্ছে লোন

পড়ুয়ারা এখন পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যস্ত ব্যাঙ্ক চালানোয়। একটি স্কুলের এই অভিনব উদ্যোগ নতুন পথ দেখাচ্ছে। যা ছাত্রদের অন্যভাবেও শিক্ষিত করে তুলছে।

ভাবনাটা এসেছিল স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মাথায়। যা এখনও দেশের কোনও স্কুল ভাবেনি, তিনি সেই কথাটাই ভেবে ফেলেছিলেন। শুধু ভাবাই নয়, তা বাস্তবায়িতও করে ফেলেন তিনি। খুলে ফেলেন একটি ব্যাঙ্ক।

কোনও ছেলেখেলার ব্যাঙ্ক নয়। সত্যিই একটি ব্যাঙ্কের কাজ হচ্ছে ছাত্রদের এই ব্যাঙ্কে। যেখানে গ্রাহকও সব ছাত্ররাই। আবার ব্যাঙ্কের কর্মচারি থেকে হিসাবরক্ষক, ম্যানেজার থেকে ঋণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক, সবাই ছাত্র।

ছাত্ররাই দায়িত্ব নিয়ে ব্যাঙ্ক চালাচ্ছে। হিসাবপত্রের খাতা দায়িত্ব নিয়ে গুছিয়ে রাখছে। আর কোনও সমস্যায় পড়লে হেডস্যার তো রয়েছেনই। তিনি মাথার ওপর থেকে ছাত্রদের দিয়ে সফলভাবে এই ব্যাঙ্ক পরিচালনা করে চলেছেন।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার পর ছাত্ররা এখান থেকে ঋণও নিতে পারছে। তবে সে ঋণ কেবল তাদের কাজের জিনিস কেনার জন্য দেওয়া হচ্ছে। যেমন, বই, খাতা, পেনসিল, পেন এবং পড়াশোনার অন্যান্য সামগ্রি কেনার কাজেই এই ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

আবার ঋণ কেবল তাদেরই দেওয়া হচ্ছে যাদের পরিবারের আর্থিক ক্ষমতা কম। আবার নিজেদের পকেট খরচ বাঁচিয়ে এখানে সঞ্চয়ও করা যাচ্ছে। এতে ছাত্রদের মধ্যে সঞ্চয় ও হিসাব করে চলার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিহারের গয়া জেলার নওয়াদি মিডল স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

ব্যাঙ্কের নাম ‘চিলড্রেন ব্যাঙ্ক অফ নওয়াদি’। ব্যাঙ্ক চালানোয় ছাত্রাবস্থা থেকেই যুক্ত হওয়ার ছাত্রদের মধ্যে সামাজিক দায়িত্ব ও নিয়মানুবর্তিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button