National

কনের মেসেজ পেয়ে বিয়ের মঞ্চে বরের হাত থেকে থালি কেড়ে নিল তরুণ

কনের তরফ থেকে একটা মেসেজ পেয়েছিল ওই তরুণ। তারপর যে কাণ্ড সে ঘটাল তা এখন আশপাশে টানটান কাহিনির মত মুখে মুখে ঘুরছে।

কনেই লুকিয়ে মেসেজটা করেছিল। ফোনে মেসেজটা দেখার পর যেন সর্বশক্তি ফিরে পায় ওই তরুণ। সাহসে ভর করে সোজা হাজির হয় বিয়ের মঞ্চে। সকাল থেকে বিয়ের মণ্ডপেই ছিল সে।

এক সময় বিয়ে শুরু হয়। মণ্ডপে কনে ও বরপক্ষের মানুষজন হাসি মুখে বিয়ে দেখতে ব্যস্ত। নিয়ম মেনে এক সময় থালি হাতে তুলে নেন বর। সেই থালিতেই রয়েছে মঙ্গলসূত্র। সেটি কনের গলায় পরিয়ে দিয়ে বিয়ে সম্পূর্ণ করাটা বাকি।

ঠিক সেই সময়ই আচমকা সকলকে হতবাক করে দিয়ে বর কনের সামনে গিয়ে বরের হাত থেকে থালিটা ছিনিয়ে নেয় ওই তরুণ। তারপর তাতে থাকা মঙ্গলসূত্রটি কনের গলায় পরিয়ে দিতে যায়।

অবশ্য মঙ্গলসূত্র পরাতে সে পারেনি। তার আগেই সমবেত সকলে তাকে পাকড়াও করে শুরু করেন মার। চলে উত্তমমধ্যম পেটানি। ডাকা হয় পুলিশও।

পুলিশ এসে প্রাথমিক তদন্তের পর জানতে পারে ওই তরুণ ও কনে একই জায়গায় কাজ করেন। তাঁরা নিজেদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ।

বিয়ের দিন কনেই মেসেজ করে ওই তরুণকে ডেকে পাঠায়। তাকে ওখান থেকে নিয়ে যেতে বলে। আর সেই মেসেজ পেয়েই প্রেমিকাকে বিয়ের মঞ্চেই বিয়ে করার চেষ্টা করে ওই তরুণ।

এই ঘটনা জানার পর যে যুবক বিয়ে করতে এসেছিলেন তাঁর পরিবারের সঙ্গে কনের পরিবারের তুমুল ঝগড়া শুরু হয়। কনে অন্য ছেলের সঙ্গে প্রেম করছে একথা না জানানো নিয়ে বরপক্ষ হইচই জুড়ে দেয়। বিয়ে যায় ভেঙে।

এদিকে পুলিশ ওই তরুণকে গ্রেফতার না করে বরং তার পরিবারকে ডেকে ওই কনের সঙ্গে যাতে বিয়েটা হয়ে যায় সেই ব্যবস্থা শুরু করে। ঘটনাটি ঘটেছে চেন্নাই শহরে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *