National

ঘুড়ি ওড়ানোর জন্য যে কোনও মাঞ্জা বিক্রি নয়, হতে পারে জেল

ঘুড়ি ওড়ানোর জন্য মাঞ্জা বিক্রির ক্ষেত্রে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে বিক্রেতাদের। কারণ একটু এদিক ওদিক হলে তাঁদের জেলও হতে পারে। জারি নির্দেশ।

ঘুড়ি ওড়ানোর দিন আসছে। এখনও আকাশে ঘুড়ির দেখা মিলছে। শরৎকালের পেঁজা তুলোয় মোড়া নীল আকাশ যতই ঝলমল করবে, ততই আকাশে এবার ডানা মেলবে পেটকাটি, চাঁদিয়াল। আর ঘুড়ি ওড়ানোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত মাঞ্জা সুতো।

যার সুতোর যত ধার তার ঘুড়ির আকাশে তত কদর। আর সেই মাঞ্জা সুতোকে আরও ধারাল করে তুলতে এখন অনেকে চিনের মাঞ্জা কিনে থাকেন। অনেকে আবার পছন্দ করেন নাইলনের সুতো। যা কাটাই প্রায় দুঃসাধ্য।

কিন্তু চিনের মাঞ্জায় একের পর এক দুর্ঘটনার খবর চিনের মাঞ্জা নামটাকেই একটা আতঙ্কের নাম করে তুলেছে। যা শুধু মানুষ বলেই নয়, বড় ধরনের ক্ষতি করছে অন্য জীবজন্তু এবং পাখিদের। এই সুতো সহজে নষ্টও করা যায়না।

ফরিদাবাদে একের পর এক চিনা মাঞ্জার শিকার হয়েছেন মানুষজন। তাই এবার ফরিদাবাদ পুলিশের তরফে সাফ ফরমান জারি করা হয়েছে যদি কোনও বিক্রেতাকে চিনের মাঞ্জা বা নাইলনের মাঞ্জা বিক্রি করতে দেখা যায় তাহলে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে।


এগুলি বিক্রি করতে দেখলে গ্রেফতারের পর বিক্রেতার ৫ বছরের জেল হেফাজত সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। যাতে এই সাজার মুখে পড়তে না হয় সেজন্য সব বিক্রেতাকে আগে থেকেই সতর্ক করেছে পুলিশ।

তবে চিনের মাঞ্জা বা নাইলনের মাঞ্জা কেবল ফরিদাবাদের সমস্যা নয়। সারা ভারতের সমস্যা। পশ্চিমবঙ্গেও একাধিক দুর্ঘটনা এই সুতো থেকে হয়েছে। এখন দেখার বিক্রেতাদের জন্য এই ফরমান কেবল ফরিদাবাদেই আটকে থাকে, নাকি ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button