National

বানভাসি বিমানবন্দর, রাজধানীতে ৪৬ বছরের রেকর্ড ভাঙল বৃষ্টি

৪৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিল দেশের রাজধানী। এত বৃষ্টি একটি মরসুমে এতদিন পর দেখল দিল্লি। জলের তলায় এদিন চলে যায় বিমানবন্দর সহ সিংহভাগ শহর।

শুক্রবার প্রবল বৃষ্টিতে ভেসে গেল গোটা শহর। শুক্রবার শুধু প্রবল বৃষ্টিই হলনা। সেইসঙ্গে বৃষ্টি রেকর্ড ভেঙে দিল গত ৪৬ বছরের। ৪৬ বছর পর এই প্রথম শুক্রবার মরসুমের বৃষ্টি ১ হাজার মিলিমিটার পার করল। দিল্লিতে এই মরসুমে মোট বৃষ্টি হয়েছে ১ হাজার ১০০ মিলিমিটারের ওপর।

শুক্রবার আকাশ ভাঙা বৃষ্টিতে গোটা শহর কার্যত জলের তলায় চলে গেছে। জলের তলায় চলে গেছে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটা বড় অংশ।


জল থৈ থৈ করছে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা সারি সারি বিমানের তলায়। রানওয়েরও একটা অংশ জলের তলায়। এদিকে শহরের হাল বেহাল। অনেক জায়গায় জল এতটাই বেড়েছে যে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে দিল্লি জুড়ে। চলতি বছরে যখন বর্ষা ক্রমশ গোটা দেশে তার প্রভাব বিস্তার করে তখনও দিল্লি পুড়ছিল প্রবল গরমে। পারদ ৪০ ডিগ্রির ওপরই থেকে যাচ্ছিল। তারপর বৃষ্টি নামে।

অনেক দেরিতে নামা বৃষ্টিও প্রবল হয়েছে। থেমে গেছে। তারপর ফের চড়া গরম পড়েছে। এভাবেই কিন্তু বর্ষা কাটিয়েছে দিল্লি। শুক্রবার তেমনই একটা বানভাসি বৃষ্টি দেখল রাজধানী শহর।

আবহাওয়া দফতর কিন্তু ফের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসই দিয়েছে দিল্লির জন্য। বজ্র বিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।

এদিক শহর বানভাসি হলেও পারদ অনেকটাই নেমেছে শুক্রবারের অতিভারী বৃষ্টিতে। ফলে সেদিক থেকে স্বস্তি পেয়েছে শহর। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button