দিল্লির বসন্তকুঞ্জের ঘটনাস্থলে তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা, ছবি - আইএএনএস
দিল্লির বসন্ত কুঞ্জ এলাকা। এখানেই ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ প্রতিবেশিদের কানে যায় সূরজ নামে এক তরুণ চেঁচাচ্ছে। সাহায্য চাইছে। প্রতিবেশিরা বাড়ি পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় সূরজের বাবা মিথিলেশ, মা সিয়া ও বোন নেহাকে দেখতে পান। অন্যঘরে আহত অবস্থায় ছিল সূরজ। পুলিশও হাজির হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মিথিলেশ, সিয়া ও নেহাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। প্রথমে পুলিশকে কিছুটা ঘোল খাইয়ে ছাড়ে ১৯ বছরের সূরজ।
পরে তাকে বাবা, মা ও বোনকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, প্রথমে সূরজ বাড়িতে ডাকাত পড়ার কাহিনি রচনা করেছিল। বোঝানোর চেষ্টা করেছিল ডাকাতরা তাকেও মেরে আহত করেছিল। কিন্তু পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় বারবার বয়ান বদলে পুলিশের সন্দেহ হয়। পুলিশের অনুমান রাগের বশেই বাবা, মা ও বোনকে হত্যা করে সূরজ। পরে ডাকাত পড়ার কাহিনি বানিয়ে এই হত্যার ওপর পর্দা ফেলার চেষ্টা করে।
(সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা)
সঙ্গে কোনও খাবার ছিলনা। ফোনে যে সাহায্য চাইবেন তারও উপায় ছিলনা। ফোন বন্ধ। ৪ দিন…
রাস্তায় বাজনা বাজছে। মিষ্টি বিলি করা হচ্ছে। আর এভাবেই মেয়েকে বাড়ি আনলেন বাবা। যুবতীকেও দেখা…
রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার মত তথ্য সামনে এল। যা কার্যত একটা এলাকার গোটা বাস্তুতন্ত্রের জন্য…
এভারেস্টে চড়ার সাফল্য ভারতীয় নারীর রয়েছে। কিন্তু এভারেস্টে অন্য এক অসাধ্য সাধন করে দেখালেন ২৮…
একে সাফল্য তো বলতেই হচ্ছে। আর তা ভারতের সাফল্যের ঝুলিকে আরও পূর্ণ করল। মাত্র ১০…
সাধারণ মানুষের রেল যাত্রাকে আরও সুগম ও সুন্দর করতে নতুন কামরার পথে হাঁটল রেল। রেলমন্ত্রী…