ভারতে শোওয়া বা বসার জন্য মাদুরের ব্যবহার অনেকদিন ধরে চলে আসছে। মাদুর পরিবেশ বান্ধব আসন। তবে মাদুরের নানা ধরণ আছে। যেমন বাঘু মাদুর। এই মাদুর তৈরি হয় ২টি উপাদান দিয়ে। একটি খড় এবং অন্যটি নলখাগড়া।
এগুলি প্রথমে রোদে শুকিয়ে নেওয়া হয়। তারপর শুকিয়ে গেলে শুরু হয় ঝারাই বাছাই। মাদুর তৈরি করতে ঠিক যেমন খড় বা নলখাগড়া দরকার সেগুলি বেছে নেওয়া হয়। তারপর শুরু হয় বুনন।
একটি মাদুর তৈরি করতে ২ জন সারাদিন কাজ করলে লাগে ৩ থেকে ৪ দিন। এ মাদুরের নাম বাঘু মাদুর। মাদুরটির বিশেষত্ব হল এটিতে বসলে বা শুলে গরমকালে ঠান্ডা অনুভূতি হয়। আবার শীতের সময় শুলে বা বসলে একটা গরম ছোঁয়া পায় শরীর।
বাঘু মাদুর কাশ্মীরের প্রায় প্রতিটি ঘরেই দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু কাশ্মীরের বাইরে তার জনপ্রিয়তা কমে গিয়েছিল বেশ কয়েক বছর। ফলে এই মাদুরের বাণিজ্যিক সম্ভাবনাও অনেকটা হ্রাস পায়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান মন কি বাত-এর ১৩৮ তম অধ্যায়ে কাশ্মীরের এই বিখ্যাত বাঘু মাদুরের কথা তুলে ধরেন। তার পরিবেশ বান্ধব দিকটির কথা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন এই মাদুর তৈরির সঙ্গে যুক্ত হস্তশিল্পীদের কথা। সেই সঙ্গে এই মাদুরকে ফের জনপ্রিয় করে তুলতে শ্রীনগরের বাসিন্দা গুলাম হুসেন এবং তাঁর কন্যা তানজিলার উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।