World

যাত্রী ভর্তি বিমানটি রহস্যজনক ভাবে উধাও হয়ে যায়, ১১ বছর পর ফের শুরু হল তার খোঁজ

২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশ থেকে আচমকা উবে যায় একটি বিমান। কোথাও তার ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়নি। সেই রহস্য বিমানের খোঁজ শুরু হল ১১ বছর পর।

সালটা ২০১৪। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে চিনের বেজিংয়ের উদ্দেশে পাড়ি দেয় মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বিমান এমএইচ৩৭০। ওড়ার পর ৩৮ মিনিট কেটে গিয়েছিল। তখন স্থানীয় সময় ছিল রাত ২টো ২২ মিনিট। এমন সময় আচমকা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের রাডার থেকে উধাও হয়ে যায় বিমানটি। তারপর বিমানটির আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

বিমানটি যদি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাহলে তার ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যাবে, এ কথা মাথায় রেখে তন্ন তন্ন করে খুঁজে ফেলা হয় ভারত মহাসাগরের বিভিন্ন অংশ। কিন্তু কিছু পাওয়া যায়নি। আবার স্থলভাগের কোথাও তার একটা টুকরোও পাওয়া যায়নি। তাহলে কি উবে গেল বিমানটি?

একাধিক দেশের সেনা, উদ্ধারকারী দল তল্লাশিতে শামিল হয়। কাজে লাগানো হয় উন্নততর প্রযুক্তি। ভারত মহাসাগরের ৪৬ হাজার বর্গ মাইল এলাকা খুঁজে ফেলা হয়। সন্দেহ হলে নামানো হয় ডুবুরি। কিন্তু তাতেও বিমানটির খোঁজ মেলেনি। যাত্রীদের তো নয়ই।

তাহলে বিমানটি গেল কোথায়? এ এক বড় প্রশ্ন হয়ে থেকে যায়। তবে উবে গেলেও বিমানটি যে আচমকা মুখ ঘুরিয়ে পশ্চিম দিকে যেতে শুরু করেছিল তা জানা যায়। ফলে সবদিক ভেবে জলভাগের সঠিক জায়গায় তল্লাশি হয়।

তাতে ফল কিছু অবশ্য হয়নি। জল তল্লাশির সময় কয়েকটি টুকরো পাওয়া যায়। সেগুলিকে ওই বিমানের বলে মনেও করা হয়। কিন্তু বিমানটির কার্যত কোনও খোঁজ মেলেনি। একটা সময় পর্যন্ত তল্লাশি চালানোর পর অবশেষে বন্ধ হয় তল্লাশি অভিযান।

আবার ১১ বছর কাটার পর চালু হচ্ছে সেই রহস্যজনক ভাবে হারিয়ে যাওয়া বিমানের খোঁজ। এই উদ্যোগ ফেরার একটা বড় কারণ একটি রোবটযান। যা জলের তলায় সাবলীল। সহজে অনেকটা জায়গা খুঁজে খবর দিতে পারে।

রোবটটি অনেকটাই নতুন। তাকেই এবার কাজে লাগিয়ে ভারত মহাসাগরের তলদেশে তল্লাশি চালানো হবে। যদি সেখানে বিমানটির ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পাওয়া যায়।

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *