চালকের বুদ্ধিতে রক্ষা পেলেন ভারতের সবচেয়ে বিলাসবহুল ট্রেনের বিদেশি পর্যটকেরা
চালকের বুদ্ধি কার্যত বাঁচিয়ে দিল বিদেশি পর্যটকদের। যাঁরা বিপুল খরচ করে ভারতের সবচেয়ে বিলাসবহুল ট্রেনে যাত্রা করছিলেন। এ যাত্রায় রক্ষা পেলেন তাঁরা।
ভারতের সবচেয়ে বিলাসবহুল ট্রেন মহারাজাস এক্সপ্রেস। যার অন্দরসজ্জা দেখলে তাক লেগে যাবে। রয়েছে বিলাসী আরামের হাজারো বন্দোবস্ত। রয়েছে খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। তেমনই তার টিকিটের দাম।
ফলে সাধারণভাবে বিদেশের ধনী পর্যটকেরা এই ট্রেনে ভ্রমণ করেন। কারণ এ ট্রেনটি প্রতিদিন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাত্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেনা। বরং এটি ভারতের পর্যটনের অঙ্গ।
সেই অতি বিলাসবহুল ট্রেনটি মঙ্গলবার তখন রাজস্থানের জয়পুরের কাছে। ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ১১টা। মহারাজাস এক্সপ্রেসের লোকো পাইলট বা চালকের একটা সন্দেহ হয়।
তিনি ভাল করে দেখার চেষ্টা করেন। আর তখনই তাঁর নজরে পড়ে সামনে ট্রেনলাইনের ওপর পড়ে আছে লোহার অ্যাঙ্গেল। শিবদাসপুরা এলাকায় রেলওয়ে ক্রসিংয়ের কাছেই এই লোহার অ্যাঙ্গেলগুলি চালকের নজর কাড়ে।
অ্যাঙ্গেলগুলি ৫ ফুট করে লম্বা। সংখ্যায় ছিল ৬টি। আর একটু হলেই মহারাজা এক্সপ্রেস ওই লাইনের ওপর এসে পড়ত। আর ওই লোহার অ্যাঙ্গেলগুলির জন্য সেটি লাইনচ্যুত হত। যা কার্যত শত শত বিদেশি পর্যটকের জন্য ভয়ংকর হতে পারত।
কিন্তু ট্রেন সে পর্যন্ত পৌঁছতে পারেনি। চালক এগুলি দেখামাত্র তৎপরতার সঙ্গে ট্রেনের আপৎকালীন ব্রেক টেনে দেন। ট্রেনটি দাঁড়িয়ে পড়ে। ফলে সেটি আর লোহার অ্যাঙ্গেল পর্যন্ত পৌঁছয়নি। তবে তার ঠিক আগেই দাঁড়িয়ে যায়।
চালকের বুদ্ধিদীপ্ত তৎপরতায় এ যাত্রায় মহারাজাস এক্সপ্রেস রক্ষা পেল। ট্রেন সেখানে ৩৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে। আরপিএফ, জিআরপি এবং স্থানীয় পুলিশ সেখানে দ্রুত হাজির হয়।
আনা হয় পুলিশ কুকুর। লাইন সহ গোটা এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। কে বা কারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত তার খোঁজ চলছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













