খাবারের আয়োজনে ভারতের মুকুটে জোড়া পালক, ভিনদেশে সেরা কলকাতার ছেলে
ভারতীয় খাবারের প্রশংসা বিশ্বজুড়েই হয়ে থাকে। খাবারের মান ও আয়োজন, ২টিই ভোজন রসিকদের মন ভাল করে। সেখানেই ভারতের মুকুটে উঠল জোড়া পালক।
ভারতীয় খাবারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গোটা বিশ্ব। বিশ্বের নানা প্রান্তে ভারতীয় খাবারের রেস্তোরাঁর দারুণ কদর। বিদেশিরাও ভারতের রাস্তার ধারের খাবারের স্টল থেকে সাজানো রেস্তোরাঁ, সব জায়গার খাবার চেখে দেখেন। ভারতীয়রা ভোজন রসিকও।
সেই ভোজন রসিক ভারতের খাদ্য মানচিত্রের মুকুটে উঠল জোড়া পালক। ২০২৬ সালে এশিয়ার সেরা ৫০টি রেস্তোরাঁর মধ্যে জায়গা পেল ভারতের ২টি রেস্তোরাঁ। যা অবশ্যই ভারতীয়দের জন্য গর্বের।
মুম্বই শহরের মাস্ক নামে একটি রেস্তোরাঁ গতবছরের তালিকাতেও জায়গা করে নিয়েছিল। সেবার এই ভারতীয় খাবারের সুস্বাদু ঠিকানা ১৯ তম স্থান দখল করেছিল। ২০২৬ সালে তা আরও একটু এগিয়ে এশিয়ার সেরা ৫০ রেস্তোরাঁর মধ্যে ১৫ তম স্থান দখল করল।
দ্বিতীয় স্থান দখল করল হিমালয়ের কোলে হিমাচলের এনএএআর বা নার নামে রেস্তোরাঁটি। যা বিখ্যাতই তার একদম অন্যরকম স্বাদের জন্য। শেফ প্রতীক সান্ধু-র তৈরি এই রেস্তোরাঁ গতানুগতিক রান্নায় বিশ্বাসী নয়। বরং হিমালয়ের একদম নিজস্ব স্থানীয় উপাদান দিয়ে রান্না হয় এখানে।
রান্নায় গুরুত্ব দেওয়া হয় হিমালয়ের নানা প্রান্তের প্রাচীন স্বাদকে। হিমালয় চিরকালই অনন্য। তার টান কখনও কমার নয়। পাহাড়ের সেই টানের সঙ্গে নার-এর টান পর্যটকদের এক মিলিত অনুভূতি প্রদান করে। নারের রান্নার স্বাদের সঙ্গে কোথাও মিশে যায় হিমালয়ের গন্ধ। এই নার এবার এশিয়ার সেরা ৫০ রেস্তোরাঁর তালিকায় ৩০ তম স্থান দখল করেছে।
এই তালিকায় প্রথম স্থান দখল করেছে হংকংয়ের চেয়ারম্যান নামে রেস্তোরাঁ। তৃতীয় স্থান দখল করেছে থাইল্যান্ডের ব্যাংককের রেস্তোরাঁ গগন। এটি শেফ গগন আনন্দের তৈরি থাইল্যান্ডের সেরা রেস্তোরাঁ। ব্যাংককে তৈরি করলেও গগন আনন্দের জন্ম কলকাতায়।













