গোটা দুনিয়া তাঁকে চেনে এভারেস্ট ম্যান হিসাবে। যেখানে ১ বার এভারেস্টে চড়তে পারলেই সেই মানুষটির নাম সংবাদমাধ্যমের পাতায় জায়গা পায়, সেখানে এই মানুষটি প্রতিবছর নিয়ম করে এভারেস্টে চড়েন। এভারেস্টে চড়ে নেমে আসা তাঁর কাছে জলভাত হয়ে গেছে।
ওঠার পথ থেকে আসন্ন বিপদ, পুরোটাই তাঁর নখদর্পণে। ১৯৯৪ সালে প্রথমবার এভারেস্টে চড়েছিলেন। তারপর ২০২৬-এ পৌঁছে চড়লেন ৩২ তম বার। এতবার এভারেস্টে চড়ার রেকর্ড আরও কারও নেই। তাই তাঁকে সকলে ডাকেন এভারেস্ট ম্যান বলে।
নেপালের বাসিন্দা পেশায় শেরপা কামি রিটা এখন তাঁর দেশ বলেই নয়, সারা বিশ্বের কাছে একজন সেলেব্রিটি। কামি রিটা কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তা, তাঁর রেকর্ড, এসব নিয়ে একেবারেই উদাসীন।
তাঁর কাছে এটা তাঁর কাজ। তিনি তাঁর কাজটা করেন। যাঁরা এভারেস্টে চড়তে চান সেই পর্বতারোহীদের নিয়ে এভারেস্টে পথ দেখিয়ে নিয়ে যান তিনি। যেমনটা অন্য শেরপারা করে থাকেন।
কামি রিটার মত অতবার না হলেও মহিলা হিসাবে সর্বোচ্চ বার এভারেস্টে চড়ার রেকর্ড এবার গড়েছেন এক মহিলা শেরপাও। তিনি এবার নিয়ে চড়লেন ১১ বার। এর আগে ১১ বার এভারেস্টের চুড়ো ছুঁতে পারেননি কোনও মহিলা।
লাকপা শেরপা তাই মহিলা শেরপা হিসাবে এখন সেলেব্রিটি। তাঁকে ডাকা হয় মাউন্টেন কুইন বা পর্বতের রানি বলে। নেপালের বাসিন্দা লাকপা শেরপা ২০০০ সালে প্রথমবার এভারেস্টে চড়েছিলেন। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা