Lifestyle

স্পায়েও রয়েছে কফিন, খুশি মনে কফিনে শুয়ে পড়ছেন এ দেশের মানুষ

কফিন শব্দটার সঙ্গে একটা পারলৌকিক সম্পর্ক রয়েছে। জীবিত মানুষের কফিন কাজে লাগেনা। কিন্তু এ দেশে জীবিতরাও এখন একটা কফিন পেলে খুশি হয়ে তাতে শুয়ে পড়ছেন।

ইহলোক ত্যাগ করা নশ্বর দেহকে কফিনে চিরশান্তিতে শায়িত করা হয়। জীবিত মানুষের কফিনের কোনও প্রয়োজন নেই। কফিন তাঁদের কোনও কাজে লাগেনা। কিন্তু এখন সেই কফিন কাজে লাগছে। খুব কাজে লাগছে। এমনকি অনেকে তো ব্যবসার কাজে লাগাচ্ছেন কফিনকে।

তবে ইহলোক ত্যাগ করা মানুষের জন্য নয়, রক্তমাংসে জীবিত মানুষের জন্য। যেখানে সেই মানুষটি খুশি মনে এসে শুয়ে পড়ছেন। তারপর কমপক্ষে সেখানে আধ ঘণ্টা শুয়ে থাকছেন।

নিঃশব্দে, দেহকে প্রায় নিথর করে তাঁরা এই শুয়ে থাকার মধ্যে দিয়ে মনকে শান্ত করছেন। এটাই এখন ট্রেন্ড। জাপানে এখন এই কফিনে ধ্যান করার পদ্ধতি প্রবল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

সুযোগ বুঝে এখন জাপানের স্পাগুলিতেও কফিন রাখা হচ্ছে। যাতে কেউ চাইলে সেখানে শুয়ে ধ্যান করতে পারেন। মন ও স্নায়ুকে শান্ত করতে পারেন।

কফিন মেডিটেশন এখন জাপানে নয়া ট্রেন্ড। সেখানে চিরাচরিত কাঠের কফিনে মানুষ শুয়ে পড়ছেন। যাঁদের নিছক পরিচিত কাঠের কফিন পছন্দ নয়, তাঁদের জন্য সুন্দর ডিজাইন করা কফিন রয়েছে স্পা এবং বিউটি পার্লারগুলিতে।

কফিনে শোয়ার ধরনও গ্রাহকের পছন্দ মত হচ্ছে। যেমন কেউ চাইলে বন্ধ কফিনে এভাবে শুয়ে থাকতে পারেন। কেউ চাইলে মাথা খোলা কফিনে শুয়ে থাকতে পারেন।

জাপানের মানুষের মধ্যে এখন মনকে শান্ত করতে কফিন ধ্যানের ধুম পড়ে গেছে। সুযোগ বুঝে এখন কফিনে ধ্যানের ব্যবসা জাপানে বেশ রমরম করে চলছে। জাপানের সংবাদমাধ্যমগুলিতেও এই নিয়ে নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে।

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *