ট্রেনে চড়ার স্টেশন নিয়ে নিয়মে বদল আনল রেল, সুবিধা বাড়ল যাত্রীদের
ট্রেন ধরার জন্য নির্দিষ্ট স্টেশনে পৌঁছতে হবে। তাও সঠিক সময়ে। তারপর ট্রেন ধরে দূর যাত্রা। এই স্টেশন থেকে ট্রেন ধরার নিয়মকে যাত্রীদের জন্য আরও সরল করল রেল।
ট্রেন ধরে দূরে যাওয়ার থাকলে তো আগে থেকেই ট্রেনের টিকিট কেটে রাখতে হয়। সেই টিকিট কাটার সময় যেমন যাত্রীদের নাম, বয়স ইত্যাদি তথ্য প্রদান করতে হয়, তেমনই কোন স্টেশন থেকে কোন স্টেশন পর্যন্ত তিনি যাত্রা করতে চান তাও দিয়ে দিতে হয়।
এবার যেদিন ট্রেন থাকে সেদিন টিকিটে উল্লেখ করা স্টেশনে সঠিক সময়ে পৌঁছে যেতে হয়। যত দূরেই বাড়ি হোক না কেন, যাত্রীকে উল্লিখিত স্টেশনেই হাজির হতে হয়।
এমনও হয় যে হয়তো ট্রেনটি ওই শহরেরই অন্য কোনও স্টেশনেও দাঁড়াবে। সেখান থেকে উঠতে হয়তো যাত্রীর সুবিধা হবে। কিন্তু তিনি চাইলেও বাড়ির কাছের সেই স্টেশন থেকে না উঠে তাঁকে অনেক পথ অতিক্রম করে সঠিক স্টেশনে হাজির হতে হয়।
তিনি শহরের অন্য কোনও স্টেশন থেকে উঠতে চাইলে যাত্রীকে এখন চার্ট তৈরির আগে সেটা রেলকে জানাতে হয়। চার্ট একবার তৈরি হয়ে গেলে আর বোর্ডিং স্টেশন পরিবর্তন করা যায়না।
এমন তো হতেই পারে যে কোনও যাত্রী তাঁর কোনও কাজ সেরে সেই জায়গার কাছে যে স্টেশনে ট্রেনটি দাঁড়াবে সেখান থেকে উঠে যেতে চান। অথবা তাঁর ট্রেনে ওঠার আগেই কোনও বিশেষ কারণে শহরের অন্য কোথাও যেতে হয়েছে। তিনি সেখান থেকে যে কাছের স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াবে সেখানে পৌঁছে যাবেন। সেখান থেকে ট্রেন ধরতে তাঁর সুবিধা হবে।
সেক্ষেত্রে নতুন নিয়মে আর চার্ট তৈরির আগে নয়, ট্রেন ছাড়ার মাত্র ৩০ মিনিট আগেও রেলকে বোর্ডিং স্টেশন পরিবর্তনের কথা জানাতে পারবেন যাত্রীরা। তারপর পরিবর্তিত স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠে যেতে পারবেন।
বড় শহরগুলির ক্ষেত্রে দূরপাল্লার ট্রেনও একাধিক স্টেশনে দাঁড়ায়। ফলে এসব শহরের বাসিন্দাদের নতুন নিয়মে বোর্ডিং স্টেশন ৩০ মিনিট আগেও পরিবর্তন করার সুবিধা হাতের মুঠোয় আসতে চলেছে। এই নতুন নিয়ম ১ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে কার্যকর করছে রেল। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













