National

১০ দিনের মধ্যে সরাতে হবে তাঁর মন্দির, খোদ হনুমানজিকে নোটিস ধরাল রেল

খোদ ভগবান হনুমানকে নোটিস ধরাল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলের তরফে করা নোটিসে হনুমানজিকে তাঁর মন্দির ১০ দিনের মধ্যে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

গোটা তল্লাটের মানুষ কার্যত হতবাক হয়ে গেছেন ভারতীয় রেলের একটি নোটিস দেখে। প্রবল ক্ষোভও জমেছে তাঁদের মধ্যে। ভারতীয় রেল নোটিস ধরিয়েছে স্বয়ং হনুমানজিকে।

ভারতের বিভিন্ন প্রান্তেই ছড়িয়ে আছে হনুমান মন্দির। সেখানে বহু ভক্ত প্রতিদিন পুজো দেন। তেমনই একটি হনুমান মন্দিরের দেওয়ালে নোটিস সেঁটে দিয়ে যায় ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ।

সেখানে স্পষ্ট দেখা গেছে ভারতীয় রেলের তরফে হনুমানজিকে উদ্দেশ্য করে নোটিস করা হয়েছে। নোটিসে লেখা হয়েছে যে হনুমানজি বেআইনিভাবে ভারতীয় রেলের জমি দখল করে রেখেছেন।

১০ দিনের মধ্যে মন্দির সরিয়ে নিয়ে না গেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রেল। নোটিসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে দেখার কথাও শেষ লাইনে লেখা হয়েছে।

ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ শহরের খাতিক বস্তির কয়েকশো বাসিন্দাকেই নোটিস পাঠিয়েছে রেল। এই বস্তি সংলগ্ন হনুমানজির মন্দিরেও নোটিস পড়েছে। মন্দিরটিকেও রেলের জমি জবরদখল হিসাবে দেখিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

বস্তিবাসীকেও দ্রুত রেলের জমি ফাঁকা করে দিতে বলা হয়েছে। বস্তির বাসিন্দারা দাবি করেছেন তাঁরা ১৯২১ সাল থেকে ওই জমিতেই থাকছেন। সেখানেই তাঁরা মাছ বেচেন, আনাজ বেচেন। এভাবে তাঁদের সংসার চলে।

এভাবে ছেড়ে যেতে বললে তাঁদের রুটিরুজির কি হবে! কোথায় যাবেন তাঁরা? সেইসঙ্গে তাঁরা একত্র হয়ে হনুমানজির মন্দিরে এভাবে নোটিস সেঁটে দেওয়ারও প্রবল বিরোধিতা করেছেন। মন্দিরের সামনে প্রতিবাদে মুখর হন এলাকাবাসী। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button