যুবকের মলদ্বার দেখেই হাসপাতাল ফাঁকা করে দিলেন চিকিৎসকেরা
এক যুবক চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন হাসপাতালে। সেখানে তাঁর মলদ্বার ভাল করে পরীক্ষা করার পরই চিকিৎসকেরা গোটা হাসপাতাল ফাঁকা করে দেন।
বছর ২৪ বয়স। যুবকটি হাসপাতালে হাজির হয়েছিলেন এক আজব সমস্যা নিয়ে। তাঁর মলদ্বারে তিনি কি যেন ঢুকিয়ে ফেলেছেন। সেটা বার করে দিতে হবে চিকিৎসকদের। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে চিকিৎসকেরা তাঁর মলদ্বার পরীক্ষা করা শুরু করেন।
দেখেন ধাতব কিছু একটা ঢুকে রয়েছে সেখানে। তারপর আরও ভাল করে পরীক্ষা করার পর কার্যত চিকিৎসকদের হাড় হিম হয়ে যায়। চিকিৎসা করবেন, নাকি পালাবেন, সেটাই তখন ছিল তাঁদের কাছে বড় প্রশ্ন।
নিজেরা হাসপাতাল না ছাড়লেও ওই যুবকের চিকিৎসা শুরুর আগে হাসপাতাল ফাঁকা করার নির্দেশ দেন চিকিৎসকেরা। দ্রুত হাসপাতাল ফাঁকা করা শুরু হয়। খবর দেওয়া হয় বম্ব স্কোয়াডেও।
যুবকের মলদ্বারে আটকে আছে একটি বোমা। যে কোনও মুহুর্তে সেটি ফেটেও যেতে পারে। সে আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছেনা। বোমাটির বয়সও নেহাত কম নয়। শতাধিক বছর।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি একধরনের তামা ও পিতলের তৈরি সরু লম্বাটে ছোট আকারের বোমা ব্যবহার করত। তারই একটি যুবকের মলদ্বারে আটকে আছে।
চিকিৎসকেরা সাহসে ভর করে অতি সন্তর্পণে শুরু করেন অপারেশন। অবশেষে সেটিকে বার করে আনতে সফল হন তাঁরা। ততক্ষণে হাসপাতাল ফাঁকা করা হয়েছে। বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডের সদস্যরাও হাজির। হাজির দমকলও।
বোমাটি বার করার সময় যে ফাটেনি এতে বেজায় স্বস্তি পান চিকিৎসকেরা। বোমাটি বার করে আনার পর তাকে নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করেন বম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা।

কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একটি না ফাটা আস্ত বোমা মলদ্বারে ঢোকালেন কীভাবে ওই যুবক? সে প্রশ্নের উত্তর পাননি তদন্তকারী আধিকারিকরা। ওই যুবক অপারেশনের পর এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
তিনি একটু সুস্থ হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তখনই জানা যেতে পারে তিনি বোমাটি মলদ্বারে প্রবেশ করালেন কীভাবে? ঘটনাটি ঘটেছে ফ্রান্সের তুলোঁ শহরে। খবরটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।













