পৃথিবীর প্রথম ৭ তারা হোটেলে হানা, বড় ক্ষতি হোটেলের
পৃথিবীর প্রথম ৭ তারা হোটেল বলা হয় একে। সেই বিশ্ববিখ্যাত হোটেল এবার লক্ষ্য হয়ে গেল। ধ্বংস হল তার বেশ কিছুটা অংশ।
১৯৯৯ সালে হোটেলটির উদ্বোধন যখন হয় তখন সেটি ঘুরে দেখার পর ব্রিটেনের এক সাংবাদিক এতটাই অভিভূত হয়ে যান হোটেলটি দেখে যে তিনি সেটিকে ৭ তারা হোটেল বলে ব্যাখ্যা করেন। সেই মহিলা সাংবাদিকের বক্তব্যকে সামনে রেখেই এই হোটেল তার প্রচার শুরু করে।
বিশ্বজুড়ে তার সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়তে সময় নেয়নি। বিশ্বের প্রথম ৭ তারা হোটেলের মর্যাদা পায় সেটি। দেখতে অনেকটা জাহাজের পালের মত। সমুদ্রের ধারে এই হোটেল দুবাই শহরের মুকুটে অন্যতম উজ্জ্বল পালক।
সেই বুর্জ আল আরব এবার ইরানের ড্রোন হানার শিকার হল। হোটেলের একটা অংশে আগুন লেগে যায়। ড্রোনটি আঘাত হানে হোটেলের সামনের দিকে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা হয়। এই হানায় হোটেলের একটা অংশের বড় ক্ষতি হয়েছে।
দুবাইয়ের আরও একটি দ্রষ্টব্য হল বুর্জ খলিফা। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বাড়ি। বুর্জ খলিফার ঠিক পাশেই ক্ষেপণাস্ত্র হানার ঘটনা ঘটেছে। বুর্জ খলিফা গত শনিবারই ফাঁকা করে দেওয়া হয়েছিল। বাড়িটির কোনও ক্ষতি হয়েছে কিনা তা অবশ্য পরিস্কার নয়।
এদিকে দুবাই বিমানবন্দরেও আগুনের কুণ্ডলী দেখা গেছে। তবে বড় ক্ষতি কিছু হয়নি। দুবাইয়ে মানুষের তৈরি খেজুর গাছের মত দেখতে দ্বীপ পাম জুমেইরা-তেও ড্রোন হানার ঘটনা ঘটেছে।
শুধু দুবাই বলেই নয়, ইজরায়েল ও মার্কিন হানায় বিপর্যস্ত ইরান পাল্টা আঘাত হেনেছে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর শহরে। আবুধাবিতেও আক্রমণ হেনেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর ইজরায়েলি হানায় প্রাণ গেছে বলে খবর। তাঁর গোটা পরিবারই এই হানায় শেষ হয়ে গেছে। এখন প্রশ্ন হল ৮৬ বছরের খামেনেই-এর পর ইরানের শাসনভার কে সামলাবেন?
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তৈরি হওয়া এই সংঘর্ষ পরিস্থিতির শেষ কোথায়? ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ফলে তেল সরবরাহ বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।













