জঞ্জালে ফেলে দেওয়া ১২ লক্ষ টাকার সোনা আশ্চর্য ভাবে ফিরে পেলেন এক মহিলা
নিজের অজান্তেই জঞ্জালের স্তূপে ফেলে দিয়েছিলেন ১২ লক্ষ টাকার সোনা। ফিরে পাওয়ার হালও ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সোনা আশ্চর্য ভাবে তাঁর কাছে ফিরে এল।
এ কাহিনি কিন্তু বেশ চমকপ্রদ। এক মহিলা একসময় দুবাই শহরে থাকতেন। তারপর তিনি বছর ৫ আগে ভারতে ফিরে আসেন। সম্প্রতি তিনি ফের কয়েকদিনের জন্য দুবাই গিয়েছিলেন। একটি পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে।
ওই মহিলার কিছু সোনায় লগ্নি করা ছিল। যখন দুবাই গেছেনই তখন সেটা খতিয়ে দেখতে যান তিনি। তিনি একটি ছোট ব্যাগে সোনার কয়েন ও বার সহ ১২ লক্ষ টাকার সোনা রেখেছিলেন।
ব্যাগটি তিনি একবারের জন্য অন্য একটি ব্যাগে সরিয়ে রাখেন। আর সেই সোনা ভরা ব্যাগ রাখেন বাড়ির খাবার টেবিলে। পরদিন অজান্তেই জঞ্জাল ফেলার সময় তাঁর ছেলে সেই ব্যাগটি জঞ্জালের স্তূপে ফেলে দেন।
সোনায় ভরা ব্যাগটি যে জঞ্জালে গিয়েছে সেটাও সেদিন কারও নজরে আসেনি। পরদিন যখন ওই মহিলা ব্যাগটির খোঁজ করেন তখন ব্যাগটি তিনি খুঁজে পাননি। অগত্যা তার খোঁজ পড়ে। জানা যায় তাঁর ছেলে ব্যাগটি না বুঝেই জঞ্জালের মধ্যে ফেলে এসেছেন।
১ দিন পার হয়ে গেছে। জঞ্জালের স্তূপে ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এরপর সে ব্যাগ আর পাওয়ার কোনও আশা নেই এটা ধরেই নেয় ওই পরিবার। পাওয়া যাবেনা ধরে নিয়ে তারা বিষয়টি পুলিশের কাছে জানাতেও যায়নি।
২ দিন পর ওই পরিবারের সঙ্গে পুলিশ এসে যোগাযোগ করে। জানায় তারা ব্যাগটি খুঁজে পেয়েছে। থানায় গিয়ে উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে যেন ওই পরিবার সোনা ভরা ব্যাগটি নিয়ে আসে।
ওই ব্যাগ যে ফেরত পাওয়া যাবে এটা ভাবতেও পারেননি পরিবারের সদস্যরা। দ্রুত তাঁরা ছোটেন থানায়। প্রমাণ দেখিয়ে সেই ব্যাগ ফেরত পান। ভিতরের সব জিনিস যেমনকার তেমন ছিল।
জঞ্জাল সাফাই যিনি করছিলেন তিনি ব্যাগটি পেয়ে পুলিশে জমা দিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরেই পুলিশ ওই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তবে এটাও এই ঘটনা থেকে পরিস্কার যে দুবাই শহরে জঞ্জালের স্তূপে কে কখন কি ফেলছেন তাও জানা থাকে পুলিশ প্রশাসনের। খবরটি বিশ্বের অনেক সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশিত হয়েছে।













