একে চারধার জলে থৈথৈ করছে। বাড়ি থেকে বার হওয়া দায়। বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ শোচনীয় আকার নিচ্ছে। এর মধ্যে আরেক আতঙ্ক ঘাড়ে চেপেছে। সাপের প্রজনন খামারগুলি থেকে বেরিয়ে পড়েছে অনেক সাপ। তারা এখন খোলা ঘুরে বেড়াচ্ছে এলাকা জুড়ে। জলে ভাসছে।
জলে ফণা তুলে ঘুরছে। সাপেরাও একটা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছে সন্দেহ নেই। মাথা গোঁজার জায়গা না পেয়ে তারাও বিচলিত। এখন তারা সামনে যাকে পাচ্ছে ছোবল মেরে দিচ্ছে।
ইতিমধ্যেই খামার ছেড়ে বেরিয়ে পড়া সাপের ছোবল প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এক মহিলার। অনেক মানুষ ছোবল খেয়েছেন। এমনই পরিস্থিতি যে বন্যার মাঝেই এখন কেবল সর্প দংশন পাওয়া মানুষজনের দ্রুত চিকিৎসার জন্য আলাদা করে চিকিৎসা ক্যাম্প বসানো হয়েছে। যেখানে ছোবল খাওয়া মানুষজনের চিকিৎসা হচ্ছে।
চিনের গুয়াংজি এলাকা বন্যার কবলে পড়েছে। আবার এই গুয়াংজি হল চিনের সেই এলাকা যেখানে সবচেয়ে বেশি সাপের প্রজনন খামার রয়েছে। রয়েছে সরীসৃপ প্রজনন কেন্দ্র।
এই খামারে সাপদের কাজে লাগিয়ে চিনের প্রাচীন ওষধি থেকে মাংস সবই পাওয়া যায়। সেইসব প্রজনন কেন্দ্র এখন বন্যায় জলের তলায়। সেখানে থাকা সাপেরা আর কোনও ঘেরাটোপে আটকে নেই। তারা এখন সেখান থেকে বেরিয়ে খোলা ঘুরে বেড়াচ্ছে এলাকা জুড়ে।
দাপিয়েও বেড়াচ্ছে। তাদের পাকড়াও করতে সাপ ধরতে দক্ষ ব্যক্তিরা কাজেও নেমেছেন। অনেক সাপকে ধরতে তাঁরা সক্ষমও হয়েছেন। কিন্তু তারপরেও বহু সাপ বাইরে। তাই স্থানীয় মানুষজনকে সাপের থেকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।