ডাইনোসরের গায়ে সজারুর কাঁটা, আশ্চর্য ডাইনোসরের কথা জানতে পারলেন বিজ্ঞানীরা
শুনলে কবিতার হাঁসজারুর কথা মনে পড়তে পারে। বাস্তবেই এক প্রজাতির ডাইনোসরের গায়ে থাকা সজারুর কাঁটা এবার ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের।
ডাইনোসর সম্বন্ধে একটা ধারনা মানুষের তৈরি হয়ে গেছে। ফলে সে আমিষ হোক বা নিরামিষভোজী, ডাইনোসরদের চেহারা মানুষের কাছে পরিস্কার। কিন্তু এবার বিজ্ঞানীরা এমন এক ডাইনোসরের খোঁজ পেলেন যা চেনা ডাইনোসরদের তালিকায় পড়েনা।
এ ডাইনোসর একদম অচেনা। এ ডাইনোসরের গায়ে সজারুর মত কাঁটা ছিল। যেন ডাইনোসররূপী সজারু। এমন এক অদ্ভুত চেহারার ডাইনোসর এর আগে দেখা যায়নি।
চিনে এই ডাইনোসরের জীবাশ্মের খোঁজ পাওয়া গেছে। এমন ডাইনোসরও যে পৃথিবীর বুকে ঘুরত তা এতদিন অজানাই ছিল। আনুমানিক ১২ কোটি বছর আগে এই ডাইনোসররা ঘুরে বেড়াত।
যে জীবাশ্মটি উদ্ধার হয়েছে তা একটি শিশু ডাইনোসরের। তবে জীবাশ্মটি খুব ভাল অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। ফলে আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তার চেহারা বুঝে নিতে বিজ্ঞানীদের অসুবিধা হয়নি।
লিয়াওনিং প্রদেশের একটি গ্রামে মাটির তলা থেকে পাওয়া এই ডাইনোসরের নতুন নাম দেওয়া হয়েছে হাওলং ডংগি। এই প্রাণির জীবাশ্ম পরীক্ষা করার সময় বিজ্ঞানীরা তার শরীর জুড়ে অনেক সূচ্যগ্র বস্তু দেখতে পান।
বিজ্ঞানীরা তা পরীক্ষা করে দেখেন সেগুলি হাড়ের অংশ নয়, বরং তা ডাইনোসরের ত্বকের অংশ। ডাইনোসরের ত্বক এমন সূচ্যগ্র বস্তুতে ভরা ছিল। যা সজারুর কাঁটার মত।
সজারুর কাঁটার মতই এই কাঁটা ভরা ডাইনোসর ১২ কোটি বছর আগেও যে পৃথিবীর বুকে ঘুরে বেড়াত তা দেখে অবাক হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ডাইনোসরের তালিকায় এবার এই নতুন প্রজাতির ডাইনোসরও যুক্ত হল। নিউজউইক ম্যাগাজিনে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।













