দেড় বছর হেঁটে ১৬ দেশ পার করলেন ২ বন্ধু, এক মহাদেশ থেকে পৌঁছলেন অন্য মহাদেশে
দেড় বছর ধরে পায়ে হেঁটে এগিয়ে চলা। ১৬টা দেশ হেঁটে পার। অবশেষে ২ বন্ধু পৌঁছে গেলেন তাঁদের গন্তব্য দেশে। স্বপ্নের এই হাঁটার কাহিনি সত্যিই চমকপ্রদ।
মাঝে পেরিয়ে গেছে ২০২৫ সাল। তাঁরা কিন্তু থামেননি। হেঁটে চলেন প্রতিদিন। গন্তব্যে তাঁদের পৌঁছতেই হবে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিজেদের দেশ ফ্রান্স থেকে তাঁরা হাঁটা শুরু করেন।
২ বাল্যবন্ধু। একসঙ্গে বড় হওয়া। তাই এই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাটাও তাঁরা একসঙ্গেই উপভোগ করতে চেয়েছিলেন। একজন ২৬, অন্যজন ২৭। যৌবনে ভরপুর শরীর আর স্বপ্নে ভরা মন নিয়ে তাঁরা এক অসাধ্য সাধনের পথে পা বাড়ান।
তাঁদের লক্ষ্য ছিল চিনে পৌঁছনো। ফ্রান্স থেকে পাড়ি দিয়ে একের পর এক দেশ পার করতে থাকেন তাঁরা। অনেকটা পথ পার করতে হবে। ১২ হাজার ৮৫০ কিলোমিটার পথ মুখের কথা নয়। তাও আবার হেঁটে!
কিন্তু লক্ষ্য স্থির রেখে তাঁরা হাঁটতে থাকেন। প্রতিদিন নিয়ম করে হেঁটে ৫১৮ দিনের মাথায় তাঁরা তাঁদের লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হন। মাঝে পার করেন ১৬টা দেশ।
চিনের সাংহাই শহরে পৌঁছতে কোনও বিমান নয়, নিজেদের পায়ের ওপর ভরসা রেখেছিলেন এই ২ ফরাসী যুবক। অবশেষে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁরা পৌঁছলেন সাংহাই।
নদীর ধারে পৌঁছে তাঁরা উচ্ছ্বসিত। এক কঠিন লক্ষ্য স্থির করে হেঁটে তাঁরা সফল হয়েছেন। এটা তাঁদের স্বস্তি দিয়েছে। আপ্লুত করেছে। এই হাঁটা যেমন ছিল রোমাঞ্চকর, তেমনই অভিজ্ঞতা ভরপুর। তবে ক্লান্তিটা এড়িয়ে যাওয়া যায়না।
দেড় বছর ধরে হাঁটার প্রবল ক্লান্তিটা কম নয়। তবে সে কষ্ট অনেকটাই লাঘব হল তাঁদের এই ইউরোপের ফ্রান্স থেকে এশিয়ার চিনে পৌঁছনোর আনন্দে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের এই সাফল্যের কথা বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।













