মাছের পিঠে চেপে মাত্র ১০ বছরে দ্বিগুণ ভরল দেশের সাফল্যের ঝুলি
একে সাফল্য তো বলতেই হচ্ছে। আর তা ভারতের সাফল্যের ঝুলিকে আরও পূর্ণ করল। মাত্র ১০ বছরের ব্যবধানে দ্বিগুণ সাফল্য পাওয়া মুখের কথা নয়।
ভারতে মাছের চাহিদা রয়েছে। বাংলায় তো বটেই, সেই সঙ্গে দেশের অন্যান্য প্রান্তেও মাছের চাহিদা থাকে। তাছাড়া ভারত থেকে মাছ বিদেশেও রফতানি হয়। নদীতে যেমন মাছ ধরা চলে, তেমন সমুদ্রেও।
সমুদ্রে মাছ ধরার ওপরই মূলত নির্ভর করে দেশের বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদন। ২০১৩-১৪ সালে ভারতের বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৯৫.৭৯ লক্ষ টন। ২০১৫ সালে কেন্দ্রের উদ্যোগে শুরু হয় নীল আন্দোলন।
মৎস্য চাষকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে শুরু হয় প্রচেষ্টা। আর তার হাত ধরে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতে মাছ উৎপাদন হয়েছে ১৯৭.৭৫ লক্ষ টন। অর্থাৎ ১০ বছরের মধ্যে দেশে মৎস্য উৎপাদন বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। যা অবশ্যই নজরকাড়া সাফল্য ও দেশিয় অর্থনীতির জন্যও এটা সদর্থক ভূমিকা নেবে।
মৎস্য চাষকে উন্নত করে তুলতে মৎস্যজীবীদের নানাধরনের সুযোগ সুবিধা প্রদান, যার মধ্যে রয়েছে ঋণ দান, পরিকাঠামো তৈরি করে দেওয়া, উন্নত প্রযুক্তি হাতে তুলে দেওয়া, কীভাবে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় তার প্রশিক্ষণ এবং এসব কাজের মধ্যে দিয়ে মৎস্যজীবীদের সুযোগ করে দেওয়া, আখেরে দেশের বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদন অনেক গুণ বৃদ্ধি করেছে।
তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা দেশের মৎস্য চাষকে আরও উন্নত করেছে। যার হাত ধরে এখন বিশ্বে ৮ শতাংশ মৎস্য উৎপাদন করছে কেবল ভারতই।
ভারতে মৎস্য চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে কেন্দ্রীয় সাহায্য অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে ভারতের মৎস্য উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













