কচুরির রাজধানী বলে বিখ্যাত এই শহর, পাওয়া যায় নানাধরনের জিভে জল আনা কচুরি

কচুরি ভারতীয়দের একটি অত্যন্ত প্রিয় জলখাবার। কচুরি সব জায়গাতেই পাওয়া যায়। কিন্তু একটি শহর বিখ্যাত কচুরির রাজধানী বলে। পাওয়া যায় নানা স্বাদের কচুরি।

ভরতপুরের রাজবাড়ি ও কচুরি, ছবি - সৌজন্যে - উইকিমিডিয়া কমনস ও ফেসবুক – @delishrasoi1987

দেশি বিদেশি অনেক পদ এখন জলখাবার হিসাবে এলেও কচুরির আদি অনন্ত টান থেকে মুক্তি পেতে পারেনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম। কচুরি ভারতের বহু পুরনো এক সুস্বাদু জলখাবার ছিল। যার টান আজও অম্লান।

কলকাতাতেও কচুরি নানা প্রান্তে পাওয়া যায়। দেশের অন্য শহরেও কচুরি সহজলভ্য। সাধ্যের মধ্যে দামে পেট ভরা আর রসনা তৃপ্তির যুগলবন্দি রচনা করে কচুরি।

সেই কচুরি সব শহরেই পাওয়া গেলেও একটি শহর ভারতের কচুরি রাজধানী বলে বিখ্যাত। যেখানে নানা স্বাদের কচুরি ভোর থেকে ভাজা হতে থাকে। এই শহরকে কচুরি রাজধানী হিসাবে আলাদা করার কারণ রয়েছে।

এখানে ভোর হতেই নানা দোকানে শুরু হয়ে যায় কচুরি ভাজা। ছাঁকা তেলে ভাজা হতে থাকে নানাধরনের কচুরি। যার মধ্যে ৪টি বিখ্যাত। আলু কচুরি, ডাল কচুরি, পেঁয়াজ কচুরি এবং কড়ি কচুরি। কড়ি হল স্থানীয় একটি জনপ্রিয় খাবার।

পূর্ব রাজস্থানের ভরতপুরে ভোর হতেই কচুরির দোকানে দোকানে গ্রাহকদের ভিড় জমতে শুরু করে। কচুরির দোকান মানেই সকালে ভিড়। অনেকেই কচুরি খেয়ে কাজে চলে যান। অনেকে সকালের প্রাতরাশ সারেন এই কচুরি চা খেয়ে।

তবে ভরতপুরের বাসিন্দাদের কচুরি খাওয়ার জন্য আলাদা কোনও দিন লাগেনা। তাঁরা প্রায় প্রতিদিনই সকালে কচুরি খেয়ে থাকেন। শহরের মানুষের কচুরির প্রতি এই দৈনন্দিন আকর্ষণ ভরতপুরকে ভারতের কচুরি রাজধানীর শিরোপা এনে দিয়েছে। যেখানে কেউ বেড়াতে গেলেও ভরতপুরের কচুরি না খেলে তাঁদের বেড়ানোর ষোলোকলা পূর্ণ হয়না।