Feature

দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী জোড়া গ্রাম, এখানে সবাই প্রবল শক্তিধর

যে কোনও স্থানে যেমন স্বাস্থ্যবান শক্তিধর মানুষ থাকেন তেমন সাধারণ শরীর বা দুর্বল শরীরের মানুষও দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু দেশের এ গ্রাম তাদের চেয়ে আলাদা।

দেশের এই জোড়া গ্রামকে বলা হয় সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রাম। কারণ এখানকার বাসিন্দারা কেউ দুর্বল নন। রোগা চেহারার নন। এমনকি সাধারণ চেহারারও নন। এখানে সকলেই পালোয়ান। ৮ থেকে ৮০, সবাই পেশীবহুল।

এখানে কাকভোর থেকে শুরু হয়ে যায় শরীরচর্চা। আখড়ায় হাজির হন সব বয়সের পুরুষ। তারপর চলে মুগুর নিয়ে কসরত থেকে কুস্তি এবং আরও নানাধরনের শরীরচর্চা, ব্যায়াম।

শরীরচর্চায় কোনও ফাঁক রাখেন না এখানকার বাসিন্দারা। এ গ্রামের ছোটরাও বড়দের দেখে শিখে যায় শরীরচর্চা সবার আগে। তা নিয়ে কোনও ফাঁকি নয়।

সুঠাম, পেশীবহুল, পালোয়ান দেহ এখানে তাই সকলের। এ গ্রামের মানুষ কুস্তি, বক্সিংয়ের মত খেলা পছন্দ করেন। এই খেলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে অংশ নেওয়ার স্বপ্ন দেখেন। গ্রামটি দিল্লি থেকে খুব দূরে নয়।

দিল্লির যত নাইটক্লাব রয়েছে সেখানে বাউন্সার মানেই কিন্তু এই গ্রামের বাসিন্দা। বাউন্সাররা শক্তিধর, দীর্ঘদেহী মানুষ হন। এই গ্রাম থেকেই তাঁদের নাইটক্লাবগুলোতে চাকরি দেওয়া হয়।

দিল্লির কাছেই জোড়া গ্রাম আসোলা এবং ফতেহপুর বেরি। এই জোড়া গ্রামের মানুষ সারাদিন কেবল শরীরচর্চা নিয়ে মেতে থাকেন। একটা প্রজন্ম নয়, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এই শরীরচর্চার ভাবনা।

এ গ্রামের মানুষ শরীর গড়াকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেন। এ গ্রামের মানুষ অত্যন্ত নিয়মানুবর্তী। কখনও মদ বা তামাক ছুঁয়ে দেখেননা। প্রোটিন যুক্ত খাবার এখানকার মানুষের প্রথম পছন্দ। আর শরীরচর্চায় ফাঁকি দেওয়ার কথা তাঁরা ভাবতেও পারেননা।

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *