শিল্পকীর্তি দেখতে এসে তা চিবিয়ে খেয়ে নিলেন এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র
শিল্পকীর্তি দেখতে বহু মানুষ হাজির হন। ঘুরে দেখেন প্রদর্শনী। কিন্তু সেগুলি দেখতে এসে খেয়ে ফেলেন না। এবার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিবাদের নামে সেই আশ্চর্য কাজটি করলেন।
ফাইন আর্টস নিয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করা এক ছাত্রের একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই ছাত্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজে লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরেই থাকা আর্ট গ্যালারিতে নিজের শিল্পকীর্তি তুলে ধরেছিলেন।
এআই কাজে লাগিয়ে ‘আর্ট অফ দ্যা ওয়ালস’ শিরোনামে একটি প্রদর্শনীতে তাঁর অনেক ছবি প্রদর্শিত হচ্ছিল। ওই বিশ্ববিদ্যালয়েই পাঠরত আর এক ছাত্র এসেছিলেন সেই প্রদর্শনী দেখতে। দেওয়ালে টাঙানো ছবিগুলি এক এক করে দেখছিলেন তিনি।
আচমকা সকলকে অবাক করে তিনি ছবিগুলি দেওয়াল থেকে টেনে ছিঁড়তে শুরু করেন। তারপর সেগুলি মুখে পুড়ে চিবোতে থাকেন। অনেকগুলি শিল্পকীর্তি তাঁর পেটে চলে যায়। এমন আশ্চর্য কাণ্ড দেখে প্রাথমিক হতভম্ব ভাব কাটিয়ে বাকিরা তাঁকে একাজ থেকে আটকান। পরে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
ওই ছাত্র জানিয়েছেন শিল্প সৃষ্টির ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তিনি একেবারেই মেনে নিতে পারেননা। শিল্পের জগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কোনও জায়গা নেই। এটা বোঝাতেই তাঁর এই প্রতিবাদ।
৫০টির ওপর ছবি তিনি নষ্ট করেছেন। খেয়ে ফেলেছেন। অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে। যে ছাত্রের সৃষ্টি সেগুলি তিনি ভেঙে পড়েন এই ঘটনায়।
আলাস্কা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটেছে। যা অনেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। ওই ছাত্রকে পুলিশ আটক করেছে। নিউ ইয়র্ক পোস্ট সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বের অনেক সংবাদমাধ্যমেই খবরটি প্রকাশিত হয়।













