খড়গপুরের কাছে গোয়ালারা গ্রাম। এখানেই ২ স্ত্রীকে নিয়ে বাস করতেন রতন ঘোষ। দ্বিতীয় স্ত্রী অনিমার দাবি সতীনকে নিয়ে ঘর করার পাশাপাশি তাঁর স্বামী তাঁকে প্রায় দিন নেশা করে এসে মারধর করতেন। দিনের পর দিন স্বামীর এই অমানুষিক অত্যাচার আর সহ্য করতে পারছিলেন না তিনি।
গত বুধবার রাতেও রতন ঘোষ বাড়ি ফিরে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী অনিমাকে মারধর করতে শুরু করেন। এদিন আর তা মেনে নিতে পারেননি অনিমা। পাল্টা স্বামীকে টেনে নিয়ে গিয়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলেন তিনি। তারপর চ্যালা কাঠ জোগাড় করে শুরু হয় মার। অনিমার মারের চোটে মৃত্যু হয় রতন ঘোষের। ঘটনার পরই অভিযুক্ত অনিমা ঘোষকে আটক করে পুলিশ। তদন্ত শুরু হয়েছে।
জল নিকাশি ব্যবস্থা যাতে ঠিক থাকে তার ব্যবস্থাই করা হচ্ছিল। আর তা করতে গিয়ে পাওয়া…
তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন। বার ২০ চেষ্টা করেও মাংস সিদ্ধ হচ্ছেনা। তাই কড়াই ভর্তি আধ…
প্রেম যে অন্ধ হয় তা তো সকলের জানা। সেখানে প্রেমিকের মুখে অন্য মেয়ের প্রশংসা। এটা…
কিটক্যাট অনেকেরই পছন্দের। সেই কিটক্যাট মাঝরাস্তা থেকে উধাও হয়ে গেল। ১টা ২টো নয়, ৪ লক্ষের…
স্থানীয় ভাষায় বলা হয় দণ্ডবৎ যাত্রা। সহজ করে বললে দণ্ডি কাটা। বিবাহবিচ্ছেদের আনন্দ উদযাপন করতে…
মেষ রাশির আজকের দিনটা কেমন কাটতে চলেছে, রাশিফল ও দৈনিক সময়সূচী অনুযায়ী প্ল্যানিং করুন আজ…