এই অবস্থায় কখনও পৌঁছয়নি সমুদ্র, কেন এত বৃষ্টি বন্যা, সামনে এল হাড় হিম করা তথ্য
রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার জন্য এ তথ্য যথেষ্ট। এর আগে কখনও সমুদ্র এমন অবস্থায় পৌঁছয়নি। অতিবৃষ্টি, বন্যার কারণ এবার পরিস্কার।
সামনে থেকে সমুদ্র দেখলে কিছু বোঝা কঠিন। কিন্তু তার যে এমন অবস্থা তার জানান দিলেন বিশেষজ্ঞেরা। বিশ্বের ৩১টি গবেষণা সংস্থার ৫০ জন বিজ্ঞানী মিলে যে রিপোর্ট তৈরি করেছেন তাতে রাতের ঘুম উড়ে যেতে পারে।
তাঁরা জানাচ্ছেন, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে সমুদ্রের জল যতটা গরম হয়েছে এর আগে তা কখনও হয়নি। গত ৩৭ বছরে বিশ্বজুড়ে যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার হয়েছে তার সমতুল উত্তাপ মাত্র ১ বছরে শুষে নিয়েছে সমুদ্রের জল।
এশিয়া, ইউরোপ এবং আমেরিকার বিজ্ঞানীরা মিলে এই রিপোর্ট তৈরি করেছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, সমুদ্রের জলের ২ হাজার মিটার পর্যন্ত উপরিতলের জল ২০২৫ সালে যতটা গরম হয়েছে তা বিগত কোনও বছরেই হয়নি।
সমুদ্রের উপরিতলের জল গরম হওয়া যখন রেকর্ড গড়েছে তখন সমুদ্রের তলদেশের উত্তাপ একটু অন্য কথা বলছে। সমুদ্রের তলদেশে যে উত্তাপ পাওয়া গিয়েছে তা এখনও পর্যন্ত রেকর্ড হওয়া তৃতীয় উচ্চতম।
সমুদ্রের উপরিতলের এই অস্বাভাবিক উত্তাপ বৃদ্ধির জেরে প্রচুর পরিমাণে ২০২৫ সালে জাতীয় বাষ্প তৈরি হয়। যার ফলে অতিবৃষ্টির প্রকোপ দেখতে পাওয়া যায় বিশ্বজুড়ে। লাগাতার বৃষ্টির জেরে অনেক জায়গায় বন্যাও হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বন্যার ভয়ংকরতা দেখেছে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং মেক্সিকো। এমনকি ভারতেও প্রবল বৃষ্টির দাপট নাজেহাল করে ছেড়েছে ভারতবাসীকে।
তবে এর উল্টো প্রভাবও পড়েছে। যেমন মধ্যপ্রাচ্যে সমুদ্রের জলের এই রেকর্ড উত্তাপ বৃদ্ধি খরা পরিস্থিতি ডেকে এনেছিল। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













