কেন্দ্রীয় বাজেটে রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পেল ডানকুনি ও শিলিগুড়ি
বাংলার রেল মানচিত্রে কেন্দ্রীয় বাজেটের একটা প্রভাব পড়েছে। এবারের বাজেটে গুরুত্ব পেয়েছে ডানকুনি এবং শিলিগুড়ি। ২টি জায়গা ২টি কারণে গুরুত্ব পেয়েছে বাজেটে।
ভারতের রেল যোগাযোগকে সুগম করার একটা ধারাবাহিকতা চলছে। সেই ধারাবাহিকতার পালে হাওয়া দিল কেন্দ্রীয় বাজেট। এখন কেন্দ্রীয় বাজেটের সঙ্গে রেল বাজেটও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই এদিন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বাজেট ভাষণে জায়গা পেয়েছে রেলও।
এবার বাজেটে ৭টি উচ্চগতি সম্পন্ন রেল করিডরের প্রস্তাব করা হয়েছে। যাকে উন্নয়নে সংযোগকারী বা গ্রোথ কানেক্টর হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই যে ৭টি হাইস্পিড রেল করিডরের ঘোষণা হয়েছে এই পথে যেমন যাতায়াতের সময় কমবে, তেমনই কমবে দূষণ।
এরফলে আঞ্চলিক উন্নয়নও পালে হাওয়া পাবে। অন্যদিকে শহর ও অর্থনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থান একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হবে।
যে ৭টি উচ্চগতির করিডরের প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলি হল বারাণসী-শিলিগুড়ি, দিল্লি-বারাণসী, মুম্বই-পুনে, পুনে-হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু, বেঙ্গালুরু-চেন্নাই এবং চেন্নাই-বেঙ্গালুরু। ফলে দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, পুনে, বারাণসীর সঙ্গে গুরুত্ব পেয়েছে শিলিগুড়িও।
অন্যদিকে এদিন অর্থমন্ত্রী একটি ইস্ট ও ওয়েস্ট অর্থাৎ পূর্ব পশ্চিম পণ্যবাহী করিডরের প্রস্তাবও করেছেন। যা পশ্চিমে গুজরাটের সুরাট থেকে পূর্বে ডানকুনি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এছাড়াও দেশজুড়ে পণ্যপরিবহনকে আরও সুগম করে তুলতে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ২২টি জাতীয় জল পরিবহণ রুট তৈরির কথাও প্রস্তাব করা হয়েছে এবারের বাজেটে।
আগামী দিনে দেশের মধ্যে পণ্যপরিবহনে যে কেন্দ্র কেবল সড়ক ও রেলপথ নয়, সেই সঙ্গে জলপথকেও গুরুত্ব দিতে চলেছে তা এই বাজেট প্রস্তাব থেকেই পরিস্কার। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













