ভারতের খুব কাছেই রয়েছে হাসির দেশ বা ল্যান্ড অফ স্মাইলস, ঘুরেও এসেছেন অনেকে

ভারত থেকে খুব একটা দূরে নয়। দেশটি পরিচিত হাসির দেশ হিসাবে। যেখানে অনেকেই ঘুরে এসেছেন। এই দেশ খ্যাত ল্যান্ড অফ স্মাইলস নামে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মিত চিত্রে থাইল্যান্ড, দ্যা ল্যান্ড অফ স্মাইলস, প্রতীকী ছবি

এ দেশ যেন পর্যটকদের জন্য ডালি সাজিয়েই বসে থাকে। কি নেই সেখানে। অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্র, সমুদ্রে নানাধরনের অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস, রাতের বর্ণময় জীবন, প্রচুর জিনিসপত্র কেনার সুযোগ এবং সেখানকার মানুষের উষ্ণ অভ্যর্থনা।

সব মিলিয়ে এ মাটিতে পা রাখার পর পর্যটকেরা পুরো বেড়ানোটাই আনন্দে কাটাতে পারেন। তাঁদের মুখে হাসি সর্বদা যেন লেগেই থাকে। অন্যদিকে এ দেশের মানুষ অতিথি আপ্যায়নে পারদর্শী।

তাঁদের মুখে সর্বদা মিষ্টি হাসি লেপ্টে থাকে। যা উল্টোদিকে থাকা মানুষটিকেও আনন্দ দেয়। এখানকার মানুষজনের এই সর্বদা হাস্যমুখর মুখ এ দেশকে ল্যান্ড অফ স্মাইলস নামে পরিচিত করেছে।

ভারতের কাছের এই দেশটির নাম থাইল্যান্ড। যেখানে এমন একাধিক পর্যটনক্ষেত্র রয়েছে যেখানে বহু মানুষ বিভিন্ন দেশ থেকে ভিড় জমান। আনন্দ উপভোগ করেন। বেড়ানোর ষোলকলা পূর্ণ করতে পারেন।

আর বিশ্বের অনেক জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার চেয়ে এখানে ঘোরা অনেক কম খরচে হতে পারে। পর্যটকদের টানতে এমন নানা হাতছানি রয়েছে থাইল্যান্ডে। তাছাড়া এখানকার বৌদ্ধ সংস্কৃতি পর্যটকদের একাংশকে আকর্ষিত করে।

এখানকার বৌদ্ধ মন্দিরেও অনেক পর্যটক হাজির হন। থাইল্যান্ড যেমন যাঁরা কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন তাঁদের জন্য এক স্বর্গরাজ্য, তেমনই আবার যাঁরা খেতে ভালবাসেন তাঁদের জন্য এক দারুণ গন্তব্য। কারণ থাই খাবার অত্যন্ত সুস্বাদু হয়। সারা বিশ্বেই থাই খাবারের একটা সুনাম রয়েছে। যে খাবার মন ভাল করে দিতে পারে।