ভোরে হোটেলের ঘরে আশ্চর্য শব্দ, ঘুম ভেঙে দম্পতি দেখলেন মূর্তিমানকে
বিলাসবহুল হোটেলের ঘরে সুখনিদ্রায় মগ্ন দম্পতির ঘুম ভেঙে যায় এক আশ্চর্য শব্দে। ঘুম থেকে উঠে তাঁরা যা দেখেন তা দেখে হাড় হিম হওয়ার জোগাড়।
অচেনা দেশ, অচেনা শহরে গেলে থাকার জন্য হোটেল বড় ভরসা। সেই হোটেলেই উঠেছিলেন এক দম্পতি। রাতে হোটেলের ঘরে তাঁরা ঘুমিয়েও পড়েন। ভোর ৫টা নাগাদ একটি অন্যরকম শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তাঁদের।
কেমন একটা হিসহিস শব্দ। নিস্তব্ধ ঘরে শব্দটা পরিস্কার শোনা যাচ্ছে। কিসের শব্দ ওটা? বোঝার চেষ্টা করতে আওয়াজ লক্ষ্য করে দেখতে গিয়ে তাঁরা দেখেন তাঁদের বিছানার কোণায় একটি সাপ। সাপটি কি তা বোঝার মত অবস্থা তাঁদের ছিলনা। দ্রুত হোটেলের কর্মচারিদের খবর দেন তাঁরা।
হোটেলের ওই ঘরে হাজির হন এক ব্যক্তি যিনি সাপ ধরায় সিদ্ধহস্ত। তিনি খুঁজে বার করেন সাপটিকে। বিছানার ঠিক মাথার দিকে মেঝেতে গুটিসুটি মেরে ছিল সে।
সাপটির লেজের কাছটা ধরে সেটিকে বিছানার ওপর নিয়ে আসেন ওই ব্যক্তি। পুরো ঘটনাটা ক্যামেরাবন্দি করা হয়। বিছানার ওপর সাপটি বারবার ছোবল মারার চেষ্টাও করতে থাকে। স্পষ্ট দেখা যায় সাপটি শঙ্খচূড়।
ভয়ংকর বিষাক্ত এই সাপের ছোবল অনেক মানুষের জীবন কেড়ে নিতে পারে। সাপটিকে ঘর থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অনেক প্রশ্নই ঘটনার পর উঠতে শুরু করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডের ক্রাবি এলাকায়। এখানেই একটি জঙ্গলের কাছে রয়েছে এই হোটেলটি। প্রশ্ন উঠছে এখানেই। জঙ্গলের কাছে হোটেল হলে সেখানকার সাপখোপ বা অন্য কোনও বিপদ থেকে হোটেলে আসা অতিথিদের সুরক্ষিত রাখতে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয় তা এখন প্রশ্নের মুখে।
হোটেলের অতিথিদের সুরক্ষার বন্দোবস্ত সম্পূর্ণরূপে দেখা হচ্ছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখার বিষয়টি সামনে এসেছে। ঘটনাটি সমাজ মাধ্যমে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। কারণ বহু মানুষই নানা জায়গায় জঙ্গলের কাছের হোটেলে ঘর ভাড়া করে ওঠেন।













