World

৯৫ বছর বয়সে এখনও বাস চালান, বিস্ময় বৃদ্ধের নামে দিবস ঘোষণা করল শহর প্রশাসন

যে বয়স পর্যন্ত বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ পৌঁছতে পারেননা। যাঁরা পৌঁছন তাঁদেরও একটা বড় অংশ ঘরের মধ্যে বা বিছানায় শুয়ে কাটান, সেখানে এক ব্যক্তি ৯৫ বছর বয়সে দিব্যি বাস চালাচ্ছেন।

৯৫ বছর বয়স শুনলে অনেকেই মনে করেন এক দীর্ঘজীবী মানুষের কথা শুনছেন তিনি। এই বয়সে কেউ যদি বাড়িতে একটু হেঁটে চলে বেড়াতে পারেন, বাথরুম যেতে পারেন, নিজে হাতে খেতে পারেন তাহলেই ধরে নেওয়া হয় তিনি যথেষ্ট শক্ত সমর্থ আছেন।

এই বয়সে কাজ করছেন কেউ, এটা ভাবনার অতীত। কিন্তু এমনও এক বৃদ্ধ রয়েছেন যিনি ৯৫ বছর বয়সেও রাজপথে বাস চালান। রুটে বাস নিয়ে প্রতিদিন এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত যান। যাত্রীদের নিশ্চিন্তে পৌঁছে দেন গন্তব্যে।

একজন ৯৫ বছরের বৃদ্ধের এখনও সমান স্ফূর্তি নিয়ে বাস চালনা শহর প্রশাসনকে মুগ্ধ করেছে। শহর প্রশাসন ওই ব্যক্তির নামে ১৮ নভেম্বর তারিখটি পালন করেছে রেমন্ড হ্যাগার ডে হিসাবে।

রেমন্ড হ্যাগার দিবস পালিত হচ্ছে শহরে, এটা দেখে কার্যতই আপ্লুত ৯৫ বছরের হ্যাগার। তাঁর নামে যে এমন একটা দিন পালিত হবে তাঁর শহরে তা তিনি ভাবতেই পারেননি। শুধু কি তাই! তিনিই এখন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক বাসচালক। ফলে একটি বিশ্বরেকর্ডও এখন তাঁর ঝুলিতে।

টেক্সাসের শহর উইচিতা ফলস-এ ফলস রাইড নামে যে বাস পরিষেবা রয়েছে, সেখানেই বাসচালক হিসাবে কর্মরত হ্যাগার। ৯৫ বছর বয়সে ইচ্ছা ছিল অবসর নেবেন। কিন্তু নিজেই সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন হ্যাগার।

তিনি মনে করেন তাঁর শারীরিক সক্ষমতা যা রয়েছে তাতে তিনি এখনও অনায়াসেই বাস চালিয়ে যেতে পারেন। ফলে এখনও এই শহরে বাস চালিয়ে যাবেন তিনি।


পড়ুন আকর্ষণীয় খবর, ডাউনলোড নীলকণ্ঠ.in অ্যাপ
Show Full Article

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি নিখুঁত ভাবে যাচাই করার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *