৯০ বছরে ডিগ্রি পাওয়া বৃদ্ধা, ছবি – সৌজন্যে – নর্থ টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়
৯০ বছর বয়সে অধিকাংশ মানুষ বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়েন। নানা রোগ গ্রাস করে। ওষুধের ওপর জীবন কাটে। অনেকে শয্যাশায়ীও হয়ে পড়েন। তার মধ্যে হাতেগোনা গুটিকয়েক মানুষ সুস্থ থাকেন। তবে পড়াশোনার অবস্থায় থাকেন কি! বোধহয় না। কিন্তু পৃথিবীতে আশ্চর্যের অভাব নেই।
যেমন মিনি পাইন। যিনি বিশ্বজুড়ে এমন এক নজির গড়েছেন যার জন্য রাতারাতি তিনি বিখ্যাত হয়ে গেছে। মিনি পাইন ১৯৫০ সালে হাইস্কুল ডিগ্রি লাভ করেছিলেন।
তারপর কর্মজীবনে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু পড়াশোনার ইচ্ছাটা বুকের ভিতর জীবন্ত ছিল। তাই তারও বহুকাল পর তিনি স্নাতক হন। সেই সঙ্গে নিজের কাজ চালিয়ে যান।
এভাবে একটা সময় আসে যখন তিনি কাজ থেকে অবসর নেন। কিন্তু কাজ থেকেই অবসর গ্রহণ করেছিলেন। নিজের ইচ্ছাশক্তি থেকে নয়। যে বয়সে আদপে মানুষের আর কিছু করার ইচ্ছাটা থাকেই না, সেই বয়সে তিনি নতুন করে শুরু করেন পড়াশোনা।
তাও আবার ছোটখাটো পড়াশোনা নয়। মাস্টার্স ডিগ্রি বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাওয়ার পড়াশোনা। নর্থ টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ম মেনে ভর্তি হন।
সেখানে প্রথমে চেয়েছিলেন সাংবাদিকতায় মাস্টার্স করবেন। কিন্তু পরে তা পরিবর্তন করে ইন্টারডিসিপ্লিনারি স্টাডিজ-কে বিষয় হিসাবে বেছে নেন। অবশেষে ৯০ বছর বয়সে এই বিষয়ে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনও করলেন। তাক লাগিয়ে দিলেন বিশ্বকে।
পড়ার আর জ্ঞানার্জনের যে কোনও বয়স হয়না, কেবল ইচ্ছাশক্তিটা চাই, তা বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিলেন মিনি পাইন। ৯০ বছরে স্নাতকোত্তর পাশ করে তৈরি করলেন অনন্য উদাহরণ।
জল নিকাশি ব্যবস্থা যাতে ঠিক থাকে তার ব্যবস্থাই করা হচ্ছিল। আর তা করতে গিয়ে পাওয়া…
তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন। বার ২০ চেষ্টা করেও মাংস সিদ্ধ হচ্ছেনা। তাই কড়াই ভর্তি আধ…
প্রেম যে অন্ধ হয় তা তো সকলের জানা। সেখানে প্রেমিকের মুখে অন্য মেয়ের প্রশংসা। এটা…
কিটক্যাট অনেকেরই পছন্দের। সেই কিটক্যাট মাঝরাস্তা থেকে উধাও হয়ে গেল। ১টা ২টো নয়, ৪ লক্ষের…
স্থানীয় ভাষায় বলা হয় দণ্ডবৎ যাত্রা। সহজ করে বললে দণ্ডি কাটা। বিবাহবিচ্ছেদের আনন্দ উদযাপন করতে…
মেষ রাশির আজকের দিনটা কেমন কাটতে চলেছে, রাশিফল ও দৈনিক সময়সূচী অনুযায়ী প্ল্যানিং করুন আজ…