চলে গেলেন বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের ডাকসাইটে নায়িকা সুপ্রিয়া দেবী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তাঁর কিডনির সমস্যা ছিল। ভাল করে হাঁটতে পারছিলেন না অনেকদিন। শরীরও ভেঙে গিয়েছিল।
সুপ্রিয়া দেবীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরই তাঁর বাড়িতে একে একে হাজির হন টলিউডের কলাকুশলীরা। আসেন নেতা মন্ত্রীরাও। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হন পরিবারের সব সদস্যও। তাঁর সমসাময়িক অভিনেতা অভিনেত্রীরা এদিন তাঁর মৃত্যু খবর পাওয়ার পর ভেঙে পড়েন। অনেকেই প্রতিক্রিয়া জানানোর ভাষা ভুলে যান।
১৯৫২ সালে ‘বসু পরিবার’ দিয়ে তাঁর অভিনয় জীবনের শুরু। তারপর বিশেষ পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ঋত্বিক ঘটকের ‘মেঘে ঢাকা তারা’ সিনেমায় তাঁর ডায়লগ ‘দাদা আমি বাঁচতে চাই’, এখনও মানুষের কানে বাজে।
উত্তম কুমারের সঙ্গে একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের। খুব ছোট বয়সেই বাবার হাত ধরে মঞ্চে অভিনয় দিয়ে শুরু হয়েছিল তাঁর অভিনয় জীবন। তাঁর রান্নার গুণের কথাও বাংলার মানুষের কাছে পরিচিত। টলিউডে এই ইন্দ্রপতনের পর এদিন তাঁর সার্কুলার রোডের বাড়িতে মানুষের ঢল নামে।
নিজের মাথা গোঁজার জায়গাও নেই। রাত কাটাতেন পার্কে। সেই ব্যক্তি নিজেকে ধনী দেখিয়ে একের পর…
চোখে ঘন কালো কাজলের রেখা বহু নারীর রূপের সংজ্ঞাই বদলে দেয়। তবে চিরকাল কাজলের এই…
পৃথিবীর চাঁদের মতই অন্য এক চাঁদে ফুটন্ত মহাসমুদ্র থাকার স্বপক্ষে ইঙ্গিত খুঁজে পেলেন গবেষকেরা। যা…
এ কাজকে অপমান বলেই মনে করছেন সকলে। পড়শি দেশের এক নাগরিক একটি পবিত্র স্থানে প্রণামী…
ভারতের এই পবিত্র স্থাপত্য যার চুড়োর ছায়া দিনের কোনও সময় মাটি স্পর্শ করেনা। কীভাবে তা…
এ শহর পৃথিবী বিখ্যাত। ঝাঁ চকচকে রাস্তাঘাট। সেখানেই কিনা পানের পিকের দাগ। শহর জুড়ে পানের…