বেলায় প্রয়াত অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীকে শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর বাড়ি গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেরিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন শেষকৃত্য হওয়া অবধি পরিকল্পনার কথা। সেইমতই এদিন বিকেল থেকে প্রয়াত অভিনেত্রীর দেহ শায়িত ছিল রবীন্দ্র সদনে। সেখানে অগণিত সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হন টলিপাড়ার প্রায় সব কলাকুশলীই। সন্ধ্যা সওয়া ৬টা নাগাদ সেখানে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তারপরই সন্ধে সাড়ে ৬টায় দেহ রবীন্দ্র সদন থেকে বার করা হয়।
শববাহী গাড়িতে অভিনেত্রীর দেহ হরিশ মুখার্জী রোড ধরে এগোয় কেওড়াতলা মহাশ্মশানের উদ্দেশে। পিছনে পায়ে হেঁটে এগোন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, ইন্দ্রনীল সেন, অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সহ টলিপাড়ার বহু কলাকুশলী। রাস্তার দু’ধারে প্রয়াত অভিনেত্রীকে শেষবারের জন্য দেখার ভিড় জমেছিল চোখে পড়ার মতন। টানা প্রায় ১ ঘণ্টা হাঁটেন মুখ্যমন্ত্রী সহ বাকিরা। সন্ধে সাড়ে ৭টায় দেহ পৌঁছয় কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। সেখানে প্রয়াত অভিনেত্রীকে রাজ্য সরকারের তরফে গান স্যালুট দেওয়া হয়। পরে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় পূর্ণ মর্যাদায়। এই সময়েও সুপ্রিয়া দেবীর শোকার্ত পরিবারের পাশে বসে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
নিজের মাথা গোঁজার জায়গাও নেই। রাত কাটাতেন পার্কে। সেই ব্যক্তি নিজেকে ধনী দেখিয়ে একের পর…
চোখে ঘন কালো কাজলের রেখা বহু নারীর রূপের সংজ্ঞাই বদলে দেয়। তবে চিরকাল কাজলের এই…
পৃথিবীর চাঁদের মতই অন্য এক চাঁদে ফুটন্ত মহাসমুদ্র থাকার স্বপক্ষে ইঙ্গিত খুঁজে পেলেন গবেষকেরা। যা…
এ কাজকে অপমান বলেই মনে করছেন সকলে। পড়শি দেশের এক নাগরিক একটি পবিত্র স্থানে প্রণামী…
ভারতের এই পবিত্র স্থাপত্য যার চুড়োর ছায়া দিনের কোনও সময় মাটি স্পর্শ করেনা। কীভাবে তা…
এ শহর পৃথিবী বিখ্যাত। ঝাঁ চকচকে রাস্তাঘাট। সেখানেই কিনা পানের পিকের দাগ। শহর জুড়ে পানের…