আগুন, প্রতীকী ছবি
বাসস্থান নয়, তৈরি হচ্ছিল গুদাম। সেজন্য চলছিল নির্মাণ কাজ। ৪ তলা গুদাম তৈরির কাজ করছিলেন নির্মাণ শ্রমিকরা। সেই সময় আচমকাই আগুন লেগে যায়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ফলে আগুনের ঘেরাটোপে আটকে পড়েন শ্রমিকরা। অনেকেই দগ্ধ হয়ে মারা যান। আগুনের ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে আগুন নেভাতে হিমসিম খেতে হয় দমকলকে। ৫ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ইচিওন শহরে। এমনিতেই দক্ষিণ কোরিয়াও করোনা বিধ্বস্ত। আস্তে আস্তে ছন্দে ফেরার লড়াই চালাচ্ছে গোটা দেশ। তারমধ্যেই ঘটে গেল এই বছরে দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। ৩৮ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায়। এখনও বেশ কয়েকজনের খোঁজ নেই। তাঁদের খোঁজে পোড়া ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দেহ খোঁজার কাজ চালান দমকলকর্মীরা।
কীভাবে আগুন লাগল তার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর তদন্তকারীরা মনে করছেন মাটির তলায় যে তলা তৈরি হচ্ছে সেখানেই বাড়ি তৈরিতে কাজে লাগে এমন একটি রাসায়নিক ইউরিথেন মজুত ছিল। দাহ্য ওই রাসায়নিকেই প্রথমে আগুন লাগে। তারপর তা হুহু করে ছড়িয়ে পড়ে এমন বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড ঘটায়। তবে এটা এখনও নিশ্চিত নয়। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞেরাও নমুনা সংগ্রহ শুরু করেছেন। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা
জল নিকাশি ব্যবস্থা যাতে ঠিক থাকে তার ব্যবস্থাই করা হচ্ছিল। আর তা করতে গিয়ে পাওয়া…
তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন। বার ২০ চেষ্টা করেও মাংস সিদ্ধ হচ্ছেনা। তাই কড়াই ভর্তি আধ…
প্রেম যে অন্ধ হয় তা তো সকলের জানা। সেখানে প্রেমিকের মুখে অন্য মেয়ের প্রশংসা। এটা…
কিটক্যাট অনেকেরই পছন্দের। সেই কিটক্যাট মাঝরাস্তা থেকে উধাও হয়ে গেল। ১টা ২টো নয়, ৪ লক্ষের…
স্থানীয় ভাষায় বলা হয় দণ্ডবৎ যাত্রা। সহজ করে বললে দণ্ডি কাটা। বিবাহবিচ্ছেদের আনন্দ উদযাপন করতে…
মেষ রাশির আজকের দিনটা কেমন কাটতে চলেছে, রাশিফল ও দৈনিক সময়সূচী অনুযায়ী প্ল্যানিং করুন আজ…