আর কিছু সময়ের অপেক্ষা, তারপরই মহাজাগতিক বিস্ময়ের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব
অপেক্ষার প্রহর গোনা শুরু হয়ে গেছে। তারপরই আকাশে দেখা যেতে চলেছে এক মহাজাগতিক বিস্ময়। কখন কোথায় দেখা যাবে এই বিস্ময়।
মহাজাগতিক বিস্ময় তো ঘটেই চলেছে। মহাবিশ্বে কত কিছুই তো ঘটে। তার নামমাত্র পৃথিবী থেকে দেখা যায়। তবে যেটুকু দেখা যায় তা সর্বদাই নজরকাড়া হয়। যেমন ১৭ ফেব্রুয়ারি এক মহাজাগতিক বিস্ময়ের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব।
যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে হাজির হবে চাঁদ। তবে সে চাঁদ পৃথিবী থেকে অনেকটা দূরে অবস্থান করবে। ফলে তা অপেক্ষাকৃত ছোট দেখাবে। সেজন্য সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এলেও তা সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলতে পারবেনা।
সূর্যকে মাঝখান থেকে ঢাকবে। ফলে সূর্যের চারধারে একটা উজ্জ্বল আলোক বলয় দৃশ্যমান হবে। যাকে বলা হয় রিং অফ ফায়ার। সর্বোচ্চ ৯৬ শতাংশ ঢাকা পড়বে সূর্যের। এই বিরল দৃশ্য স্থায়ী হবে ২ মিনিটের ওপর। যাঁরা তা দেখার সুযোগ পাবেন তাঁরা এই আশ্চর্য রিং অফ ফায়ার ২ চোখ ভরে দেখবেন।
স্বভাবতই ভারত থেকে এই বিরল মহাজাগতিক বিস্ময় দেখা যাবে কিনা বা গেলেও কখন কীভাবে দেখা যাবে তা জানার একটা কৌতূহল সবার মধ্যেই থাকে। কিন্তু এই দৃশ্য ভারত থেকে দেখা যাবেনা। কারণ যখন মহাকাশে এই ঘটনা ঘটবে তখন ভারতে অন্ধকার।
তবে শুধু ভারত নয় এই বিরল দৃশ্য দেখা থেকে বঞ্চিত হতে চলেছে প্রায় গোটা বিশ্ব। এটি দক্ষিণ গোলার্ধে দৃশ্যমান হবে। তাও আবার সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে কুমেরু থেকে।
অ্যান্টার্কটিকায় তো আর সাধারণ মানুষের বাস নয়। কেবল গবেষকেরা সেখানে বেশ কিছু সময় ধরে থাকেন। তাঁরা এই দৃশ্য দেখার সুযোগ পাবেন।
এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে, তানজানিয়া ও জাম্বিয়া থেকে আংশিকভাবে এই দৃশ্য দেখা যাবে। দেখা যাবে আর্জেন্টিনা ও চিলির একটা অংশ থেকে। বাকি বিশ্ব এই বিরল দৃশ্য থেকে বঞ্চিতই হচ্ছে।













