মারা গেলেন ডাকসাইটে কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। মারা যাওয়ার সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর স্ত্রী দীপা দাশমুন্সি ও ছেলে মিছিল দাশমুন্সি। ইন্দ্রপ্রস্থের অ্যাপোলো হাসপাতালে এদিন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রিয়বাবু।
২০০৮ সালে কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী থাকাকালীনই প্রিয়বাবু হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হলেও কোমায় চলে যান প্রিয়রঞ্জন। হারিয়ে ফেলেন বাকশক্তিও। তারপর থেকে ওই অবস্থাতেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মানব দেহের যে বডি সিস্টেম হয়, তা কার্যকরী থাকলেও তাঁর নিজে থেকে শ্বাস নেওয়ার ক্ষমতা ছিল না। তা কৃত্রিমভাবেই দেওয়া হত। খাওয়ানোও হত বিশেষ নলের সাহায্য নিয়ে। এর বাইরে ঘুমনো বা ঘুম ভাঙা নিয়ে কোনও সমস্যা ছিল না। রক্তচাপও স্বাভাবিক ছিল। তবে কাউকে চিনতে পারতেন না। ওই অবস্থায় এতগুলো বছর কাটানোর পর অবশেষে চলে গেলেন প্রিয়রঞ্জন।
ছাত্র রাজনীতি দিয়ে শুরু করে রাজনীতিতে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির উত্থান হয় উল্কার গতিতে। সুবক্তা হিসাবে খুব দ্রুত নেতৃত্বের স্তরে উঠে আসেন তিনি। ১৯৭১ সালেই পা রাখেন সংসদে। ১৯৮৫ সালে প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন। ২০ বছর সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির পদ সামলেছেন তিনি। বাংলার অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি চিরকাল বেঁচে থাকবেন মানুষের মনে।
জল নিকাশি ব্যবস্থা যাতে ঠিক থাকে তার ব্যবস্থাই করা হচ্ছিল। আর তা করতে গিয়ে পাওয়া…
তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন। বার ২০ চেষ্টা করেও মাংস সিদ্ধ হচ্ছেনা। তাই কড়াই ভর্তি আধ…
প্রেম যে অন্ধ হয় তা তো সকলের জানা। সেখানে প্রেমিকের মুখে অন্য মেয়ের প্রশংসা। এটা…
কিটক্যাট অনেকেরই পছন্দের। সেই কিটক্যাট মাঝরাস্তা থেকে উধাও হয়ে গেল। ১টা ২টো নয়, ৪ লক্ষের…
স্থানীয় ভাষায় বলা হয় দণ্ডবৎ যাত্রা। সহজ করে বললে দণ্ডি কাটা। বিবাহবিচ্ছেদের আনন্দ উদযাপন করতে…
মেষ রাশির আজকের দিনটা কেমন কাটতে চলেছে, রাশিফল ও দৈনিক সময়সূচী অনুযায়ী প্ল্যানিং করুন আজ…